ইসলামাবাদ, ১২ মে (হি. স.) : পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির ভাঙার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত ২২ জনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড । পাঞ্জাব প্রদেশের এই ঘটনায় বুধবার দেশটির বিশেষ সন্ত্রাসদমন আদালত দোষী সাব্যস্ত ২২ জনকে এই সাজা দেয়।
গত বছরের জুলাই মাসে দেশটির পঞ্জাবের রাজধানী লাহোর থেকে ৫৯০ কিলোমিটার দূরে রহিম ইয়ার খান জেলার ভোঙের গণেশ মন্দিরে হামলা চালায় দুষ্কৃতিরা। এক হিন্দু কিশোরের বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ তুলে সেই মন্দিরে হামলা চালান হয়। এ সময় মন্দিরে ভাঙচুরের পাশাপাশি একাংশে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই হামলার ঘটনার পরেই সক্রিয় হয় দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বিষয়টি নিয়ে মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। এছাড়া ইমরান খানের সরকারও এ ঘটনার নিন্দা জানায়। সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় পাকিস্তানের শীর্ষ আদালত।
পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সেসময় দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।হামলার ভিডিও দেখে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয় ৯০ জনকে। মোট ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। হিন্দু মন্দিরে হামলার প্রতিবাদে দেশটির পার্লামেন্টে পাশ হয় নিন্দা প্রস্তাব। মাস খানেকের মধ্যেই মন্দিরটি সংস্কার করে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেয় দেশটির সরকার

