ইমফল, ৫ মার্চ (হি.স.) : ৬০ সদস্যের মণিপুরের দ্বাদশ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় আজ শনিবার ৩২টি আসনে ১,২৪৭টি কেন্দ্রে বেলা ১১টা পৰ্যন্ত প্রায় ২৮.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে থউবাল জালায় ২৯.৫৫ শতাংশ, চান্দেল জেলায় ২৮.২৪ শতাংশ, উখরুল জেলায় ৩০.৬৬ শতাংশ, সেনাপতি জেলায় ২৭.৮৬ শতাংশ, তামেংলং জেলায় ২০.৪১ শতাংশ এবং জিরিবাম জেলায় ৩১.৬৮ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিন সকাল সাতটা থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ছয়টি জেলা যথাক্রমে থউবাল, চান্দেল, উখরুল, সেনাপতি, তামেংলং এবং অসমের কাছাড় জেলার সীমান্তবর্তী জিরিবাম-এর আট লক্ষ ৩৮ হাজার ভোটার ৯২ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন।
এই তথ্য দিয়ে রাজ্য নির্বাচন আধিকারিক জানান, কোভিড প্রটোকল মেনে ভোটগ্রহণ চলছে। কোভিডের পরিপ্রেক্ষিতে বুথের সংখ্যা বাড়িয়ে ভোটারের সংখ্যা কমানো হয়েছে। এছাড়া ভোটের সময় বাড়ানো হয়েছে, ভোট চলবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত।
তিনি জানান, দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটে ৯২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন মহিলা প্রার্থী রয়েছেন। দ্বিতীয় দফার ভোটে কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা ইবোবি সিং, প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী গাইখাংগাম, বর্তমান ক্রীড়া মন্ত্রী লেটপাও হাওকিপ, জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের মন্ত্রী লোসি ডিখো, বন ও পরিবেশমন্ত্রী আওয়াংবো নিউমাই রয়েছেন। তাঁরা থউবাল, নুংবা, টেংনোপাল, মাও এবং তামেই নির্বাচনী ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, গত ২৮ ফেব্রুয়রি ৩৮টি আসনে ভোটদান হয়েছে। ভোট পড়েছিল প্ৰায় ৮৮.৬৩ শতাংশ। মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বলেন, ২০১৭ সালে দু দফায় বিধানসভা নিৰ্বাচনে সৰ্বমোট ৮৬ শতাংশ ভোট পড়েছিল।

