কলকাতা, ১৪ জানুয়ারি (হি.স) : বিশেষ ট্রেনে শুক্রবার সকালে ময়নাগুড়ি পৌঁছচ্ছেন রাজ্যের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতেই হাওড়া স্টেশনে আসেন তিনি। সেখান থেকেই বিশেষ ট্রেনে করে ময়নাগুড়ির দুর্ঘটনাস্থলে রওনা হন তিনি।
রাতে হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, “খুব দুঃখজনক ঘটনা। আহত যাত্রীদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বাকিদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল তার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হবে। আগামী দিন যাতে এমন আর না হয়, তাও দেখা হবে। যাত্রীদের উদ্ধার করাই এখন প্রথম লক্ষ্য।” এদিন সকালেই দুর্ঘটনাস্থলে আসেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন ঘটনাস্থলে যাবেন তিনি। পরে টুইট করেও জানান, উদ্ধারকাজের উপর তিনি সর্ব ক্ষণ নজর রাখছেন। এর পরই রাত পৌনে ১টা নাগাদ রেলমন্ত্রী হাওড়া পৌঁছন এবং সেখান থেকে ময়নাগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যানও। জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন তিনি। এ ছাড়াও রয়েছেন রেল বোর্ডের ডিজি (সেফটি)। কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটল, কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল কি না, রেললাইনে কোনও সমস্যা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখবেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেলে দোমহনির কাছে লাইন থেকে উল্টে যায় ১৫৬৩৩ আপ বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটির গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। ট্রেনটির ইঞ্জিনের পর থেকে ১২টি কামরা দুর্ঘটনার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে ৭টি কামরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। কয়েকটি কামরা রীতিমতো দুমড়েমুচড়ে যায়। একটি কামরা জলেও পড়ে যায়। স্থানীয়রা ঝাঁপিয়ে পড়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

