পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মন্দিরের চত্বরে চামড়া বা রাবারের জুতো পরে কাজ করার নিয়ম নেই। তাই খালি পায়েই কাজ করতে বাধ্য হন। সেই বিষয়টি জানতে পেরেই কাশী বিশ্বনাথ ধামে কর্মরতদের জন্য ১০০ জোড়া পাটের জুতো পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী ।
কাশী বিশ্বনাথ ধামের নয়া করিডর উদ্বোধন করতে দু’দিনের সফরে বারাণসী গিয়েছেন মোদী। সেখানে উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি মন্দিরে পুজো দিয়েছিলেন তিনি। সময় কাটিয়েছিলেন মন্দিরের কর্মীদের সঙ্গেও। সেই সময়ই তাঁর নজরে আসে সেবায়েত এবং কর্মীদের খালি পায়ে চলাফেরার বিষয়টি।তিনি জানতে পেরেছিলেন মন্দির এবং মন্দির চত্বরে চামড়া ও রবারের জুতো পরা নিষিদ্ধ হওয়ার কারনে মন্দিরের সেবায়েত এবং কর্মীরা খালি পায়েই চলাফেরা করেন। এরপরই সেই সেবায়েত এবং কর্মীদের জন্য এক অনন্য উদ্যোগ নেন তিনি। সিদ্ধান্ত নেন ১০০ জোড়া জুতো উপহারের । সেই মত কাশী বিশ্বনাথ ধামের সেবায়েত এবং কর্মীদের জন্য ১০০ জোড়া পাটের জুতো তৈরির বরাত দেন প্রধানমন্ত্রী। রঙ-বেরঙের কারুকার্য করা সেই অভিনব উপহার ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মন্দিরের সেবায়েত এবং কর্মীদের কাছে পৌঁছেও গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো উপহার পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি মন্দিরের কর্মী এবং সেবায়েতরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্দিরের এক কর্মী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে আমরা খুবই খুশি। এটা আরও একবার প্রমাণ করে দিল প্রধানমন্ত্রী সকলের খুঁটিনাটির দিকে কতটা নজর রাখেন।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ ধাম । তার প্রথম পর্বের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীর দাবি, ২০০-২৫০ বছর আগে কাশীর সংস্কারের কাজ হয়েছিল। তারপর এই প্রথম বিশ্বনাথ ধামের সংস্কারে এত কাজ হল

