National School of Drama: সংস্কৃতি ছাড়া দেশ বা সমাজের বিকাশ সম্ভব নয় : তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী

আগরতলা, ১৫ ডিসেম্বর (হি. স.) : সংস্কৃতি ছাড়া দেশ বা সমাজের বিকাশ সম্ভব নয়। আর সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করতে জাতীয় নাট্য বিদ্যালয়ের ভূমিকা রয়েছে। বুধবার জাতীয়  নাট্য বিদ্যালয় আয়োজিত এক বছরের থিয়েটার ইন এডুকেশন কোর্স দীক্ষারম্ভ অনুষ্ঠানের সূচনা করে একথা বলেন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।


ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা আয়োজিত এই এক বছরের থিয়েটার ইন এডুকেশন কোর্সে সারাদেশ থেকে কুড়িজন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ত্রিপুরার রয়েছে চারজন। আসাম, কর্ণাটক, দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে নাট্য প্রশিক্ষণার্থীরা এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। কোভিড পরিস্থিতির কারণে গত বছর এই ধরনের কোর্স শুরু হতে পারিনি। এখন পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বুধবার থেকে এক বছরের এই থিয়েটার ইন এডুকেশন কোর্স শুরু হয়েছে ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামার ত্রিপুরা শাখায়।


তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, ছোট রাজ্য ত্রিপুরায় এতদিন পরিকাঠামো ব্যবস্থা এতটা শক্তিশালী ছিল না। এখন ধীরে ধীরে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নত হচ্ছে। সংস্কৃতির আরো প্রসার ও উন্নয়ন  নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে ত্রিপুরা সরকার। তিনি বলেন, আগামী দু-তিন মাসের মধ্যেই রাজ্যের ফিল্ম ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার কাজ শুরু হবে। একসাথে অভিনেতা-অভিনেত্রীরা যেমন ফিল্ম ইন্সটিটিউটের নিজেদের পারদর্শিতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন। তেমনি ফিল্মের অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ যেমন আলো, শব্দ সহ অন্যান্য কাজে যারা যুক্ত তারাও তাদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারবেন। তাতে হোটেলের ব্যবসাও বাড়বে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতার বিকাশে এক পরিবারের সদস্য হিসেবে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন।


তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় নাট্য বিদ্যালয় বা ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা (এনএসডি)  একটি নাট্যতত্ত্ব প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠান যা আমাদের  ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। সেই ১৯৫৯ সালে সংগীত নাটক অকাদেমি কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৫ সালে স্বাধীন বিদ্যালয় হিসেবে সুনামের সাথে কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস আগামী দিনগুলোতে  ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা ত্রিপুরা সেন্টার তাদের গৌরবোজ্জ্বল কাজের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।