কলকাতা, ১৩ ডিসেম্বর (হি.স.): যাদবপুরের ১০১ নম্বর ওয়ার্ড স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সিপিএমের দখলে ছিল। ২০১৫ সালে প্রথমবার এই আসনটি তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে আসে। প্রথমবার দলের টিকিট পেয়েই কাউন্সিলর নির্বাচিত হন বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।
বাঘাযতীনের অজন্তা পার্ক, ফুলবাগান, গ্রিন পার্ক, রবীন্দ্র পল্লী, রায়পুর, বৈষ্ণবঘাটা, পাটুলি, কুসুমকানন, বীরনগর এবং সংলগ্ন এলাকা নিয়ে কলকাতা পুরসভার ১১ নম্বর বরোর অধীন এই ১০১ নম্বর ওয়ার্ড। ২০১১-র জনগণনায় লোকসংখ্যা ছিল ৪০ হাজার ২০৮। ২০০৫ ও ’১০-এ জিতেছিল সিপিএম, তার পর জিতেছে তৃণমূল। এবার তফশিলী জাতি সংরক্ষিত এই ওয়ার্ডে বাম প্রার্থী সিপিএম-এর অতনু চ্যাটার্জী, বিজেপি-র সোমনাথ দাস।
অল্পবয়সি বাপ্পাদিত্য মূলত ক্লাব সংগঠন সমাজসেবামূলক কাজেই নিজেকে ব্যস্ত রাখতেন। বামেদের মিথ ভেঙে দেওয়া সেই বাপ্পাদিত্যকে এবারও কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী করেছে দল। পুর প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে গত ৫-৬ বছরে ওয়ার্ডের আমূল পরিবর্তন করে দিয়েছেন তিনি।
রাস্তাঘাট, জল, আলো থেকে শুরু করে পার্ক কিংবা সৌন্দর্যায়ন, সবেতেই এলাকাবাসীর কাছে লেটার মার্কস পেয়েছেন বাপ্পাদিত্য। শুধু তাই নয়, বামপন্থীদেরও একটা বড় অংশ সমর্থন করছেন তৃণমূল প্রার্থীকে। আমফান ঘূর্ণিঝড় হোক কিংবা মহামারী করোনা, হাত বাড়ালেই এলাকাবাসীরা বন্ধু হিসেবে বাপ্পাদিত্যকেই কাছে পেয়েছেন।
১০১ নম্বর ওয়ার্ডে টিকাকরণ থেকে শুরু করে মানুষের চিকিৎসা কিংবা সৎকারে দিনরাত এক করে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন বাপ্পাদিত্য। রাজ্য সরকারের সামাজিক প্রকল্পগুলো পৌঁছে নিয়েছেন মানুষের ঘরে ঘরে। দায়িত্ব পাওয়ার পর অবিরাম উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে বাম জমানায় পিছিয়ে পড়া ১০১ নম্বর ওয়ার্ডকে মডেল হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি।
তবে বাপ্পাদিত্য মনে করেন, উন্নয়নের কোনও সীমা হয় না। তাই মানুষের আশীর্বাদে ফের নির্বাচিত হলে এই ওয়ার্ডকে উন্নতির এভারেস্টে পৌঁছে দেবেন তিনি।

