অমৃতসর, ১৮ নভেম্বর (হি.স.): কর্তারপুর সাহিব করিডর হয়ে পাকিস্তানের কর্তারপুরে গুরুদ্বার দরবার সাহিব রওনা হলেন পঞ্জাবের অনেক বিজেপি নেতা। পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্টের উদ্দেশে রওনা হওয়ার প্র্রাক্কালে পঞ্জাব বিজেপির প্রধান অশ্বিনী শর্মা জানিয়েছেন, “বৃহস্পতিবার কর্তারপুর সাহিব করিডর রওনা হয়েছে বিজেপি একটি প্রতিনিধি দল।” এই দলে ছিলেন জীবন গুপ্তা, সুভাষ শর্মা ও কে ডি ভান্ডারি। তীর্থযাত্রীদের জন্য কর্তারপুর সাহিব করিডর উন্মুক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অশ্বিনী শর্মা।
আগামী ২০ নভেম্বর, শনিবারই কর্তারপুর যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি নভজ্যোৎ সিং সিধু। বৃহস্পতিবার সকালে সিধুর মিডিয়া উপদেষ্টা সুরিন্দর ডাল্লা জানিয়েছেন, পঞ্জাব কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোৎ সিং সিধু ২০ নভেম্বর কর্তারপুর যাবেন। এদিনই কর্তারপুর সাহিব রওনা দিয়েছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি এবং পঞ্জাব মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা। উল্লেখ্য, বুধবার থেকেই তীর্থযাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে কর্তারপুর সাহিব করিডর। ওই কর্তারপুর গিয়েছেন ২৮ জন তীর্থযাত্রী।
৯ নভেম্বর শিখদের পবিত্র উৎসব গুরুপুরব। তার ঠিক আগে, বুধবার থেকেই খুলে গিয়েছে কর্তারপুর সাহিব করিডর। করোনার কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পরে বুধবার ওই করিডর খুলেছে। ভারত ও পাকিস্তান— দু’দেশ রাজি হওয়ায় ২০১৯ সালের নভেম্বরে কর্তারপুর সাহিব করিডর খুলে দেওয়া হয়েছিল। পঞ্জাবের গুরদাসপুরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক সংযুক্ত করে পাকিস্তানের দরবার সাহিব কর্তারপুরকে। পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের ওই জায়গাটিতে গুরু নানক জীবনের শেষ আঠারো বছর কাটিয়েছিলেন। তাই দু’দেশের শিখ সমাজের কাছেই স্থানটির গুরুত্ব অপরিসীম।

