নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২ আগস্ট৷৷ রাজ্যে তৃণমূলের তৎপরতায় একপ্রকার জেগে উঠল কংগ্রেস৷ কার্যত তিনজন সভাপতি নিযুক্ত করেই দলের গোষ্ঠী বিবাদের লাগাম টানার চেষ্টা করেছে হাইকমান্ড৷ জানা গিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসকে উজ্জীবিত করার জন্য সিনিয়র তিন নেতাকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হল৷ বীরজিৎ সিনহা, গোপাল রায় এবং পিযুষ কান্তি বিশ্বাস৷ এই তিন নেতাকে রাজ্যে দলের সাংগঠনিক বিভিন্ন জেলা কমিটির পৃথক দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে৷
এদিকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক শক্তিকে আরো মজবুত এবং দলের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে একতার বার্তা দিতে সোমবার রাজ্য সফরে এসেছেন কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটির সদস্য অবিনাশ পাণ্ডে ও ছত্তিশগড়ের মন্ত্রিসভার সদস্য টি এস সিং দেও৷ একই সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বদের সঙ্গে পৃথক ভাবে আলোচনা করেন৷
অন্যদিকে কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটির সদস্য অবিনাশ পাণ্ডে জানান ত্রিপুরায় সমস্ত কংগ্রেস কর্মী ও আসন্ন নির্বাচনগুলির বিষয়ে আলোচনা করার জন্যই তাঁর এই সফর৷ সকলকে মিলে কাজ করার বার্তা দেন তিনি৷ এদিকে ছত্তিশগড়ের মন্ত্রিসভার সদস্য টিএস সিং দেও জানিয়ে দেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস দলের কর্মী ও নেতাদের এক হয়ে লড়াই করতে হবে৷ প্রস্তুতি সঠিক না হলে কোন লাভ হবে না৷ গত নির্বাচনে কংগ্রেসের ফলাফল ভাল হয়নি৷ এই অবস্থায় সকলকে বুঝিয়ে দলে আনতে হবে না৷
এই পরিবারের সদস্যদের এক করতেই রাজ্যে এসেছেন এআইসিসি’র নির্দেশ মেনে৷ একই সঙ্গে নজরে থাকবে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেও৷ সংগঠন ও নির্বাচনই মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে আসার, তা এদিন স্পষ্ট করে দেন তিনি৷ কংগ্রেস ছেড়ে কিছু কিছু লোক তৃণমূলে যাচ্ছে৷ এটাই বাস্তব৷ এই পরিস্থিতিতে দিল্লি থেকে দুই জন পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে৷ কংগ্রেস দলকে শক্তিশালী করার জন্য এই পর্যবেক্ষক পাঠানো হয়েছে৷ তৃণমূল ১৯৯৯ সালে কলকাতায় সৃষ্টি হয় আঞ্চলিক দল হিসেবে৷ এরপর বহু নেতা এই দলে যাচ্ছেন আবার ফিরে আসছেন৷ যাচ্ছেন এবং ফিরে আসার পর্ব রয়েই গেছে৷ কিন্তু এটা সত্যি পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজেপিকে পরাস্ত করেছে৷ কিন্তু কংগ্রেসের সাহায্য ছাড়া বিজেপিকে পরাস্ত করা সম্ভব নয়৷

