করোনায় মৃত্যুতে ২৫টি রাজ্য ও সংক্রমণে ২৬টি রাজ্যের হার ত্রিপুরা থেকে বেশি

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৯ জুন৷৷ করোনার তাণ্ডবে সারা দেশে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে৷ এই গুরুতর বিপর্যয়ে কঠিন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ত্রিপুরা৷ তাতে, সাফল্য কতটা পাওয়া গেছে, এখনও তার মূল্যায়ন করার সময় হয়নি৷ কিন্তু করোনায় মৃত্যুতে ২৫টি রাজ্য এবং সংক্রমণে ২৬টি রাজ্যের হার ত্রিপুরা থেকে বেশি৷ অন্যদিকে, টিকাকরণে ত্রিপুরা শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে৷ কারণ, মোট জনসংখ্যার ৫ লক্ষাধিক ত্রিপুরাবাসীর ইতিমধ্যে টিকার দুটি ডোজ নেওয়া হয়ে গেছে৷


আজ শনিবার শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ে এখন পর্যন্ত ১১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৯৫৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে৷ তাঁদের মধ্যে ৭১ হাজার ৭৮২ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ মিলেছে৷ তবে, ৫৬ হাজার ৩৬৪ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে গেছেন৷ বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৪,৭১৫ জন৷ এছাড়া, ৬৩৯ জনের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে৷ এদিন তিনি জানান, করোনা সক্রিয় রোগীদের মধ্যে ৪,২২৬ জন বাড়িতে আইসোলেশনে এবং ৪৮৯ জন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেসনে রয়েছেন৷


এদিন তিনি বলেন, রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর হার ১.০৩ শতাংশ এবং আক্রান্তের হার ৩.৫০ শতাংশ৷ এক্ষেত্রে মৃত্যুতে ২৫টি রাজ্য এবং সংক্রমণে ২৬টি রাজ্যকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ত্রিপুরা৷ তাঁর দাবি, করোনা আক্রান্তে জাতীয় গড় ৭.৬৬ শতাংশ, এক্ষেত্রেও ত্রিপুরা অনেক ভালো অবস্থায় রয়েছে৷


সাথে তিনি যোগ করেন, টিকাকরণেও ত্রিপুরা শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে৷ এক তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ত্রিপুরা ১৮ লক্ষ ৫৮ হাজার ৬৬৭টি করোনার টিকা পেয়েছে৷ তাতে, প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৮০ জন, যা জনসংখ্যার ৫১ শতাংশ৷ অন্যদিকে দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৮৭ জন৷ তিনি জানান, ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সি ২ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩৩ জনের টিকাকরণ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে৷ এখনও ৩ লক্ষ ১১ হাজার ৯৬০টি টিকা মজুত রয়েছে৷