নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩ মে৷৷ ভালোবেসে বিয়ে করার শেষ পরিণতি হলো মৃত্যু৷ মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে মোহনপুরে৷চৌদ্দ বছরের এক নাবালিকা কন্যার সঙ্গে মোহনপুর এলাকার মিন্টু দেবনাথ নামে এক যুবকের গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে৷ সামাজিক ও পারিবারিক অনুশাসন অমান্য করে নাবালিকা কন্যা তার প্রেমিকের হাত ধরে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়৷ মিন্টু দেবনাথ এর পরিবার তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করে৷
কিন্তু নাবালিকার পরিবারের লোক এই সম্পর্ক কোনোভাবেই মেনে নিতে নারাজ৷ মাত্র চার মাস আগে মিন্টুর হাত ধরে ঘর থেকে বের হয় ওই নাবালিকা৷ বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল৷ পুলিশি হস্তক্ষেপে নাবালিকা কন্যার বিয়ের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল৷ কিন্তু নাছোড়বান্দা মিন্টু দেবনাথ নামে ওই প্রেম পাগল যুবক তাকে পুনরায় তার বাপের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসে৷ পরবর্তী সময়ে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য পাত্রীপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়৷ পাত্রীপক্ষ তাতে কোন ভাবেই রাজী হয়নি৷ বিয়ের চার মাসের মধ্যেই নাবালিকা জীবনে নেমে আসে চরম পরিণতি৷ পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে মোবাইল ফোন নিয়ে তাঁর স্বামীর সঙ্গে ঝামেলা হয়৷ এর জের ধরে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে নাবালিকা গৃহবধূ৷ আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়৷ কিন্তু শেষ রক্ষা করা যায়নি৷ নাবালিকা গৃহবধূর আত্মহত্যার সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়৷ সিধাই থানার পুলিশ এ ব্যাপারে একটি মামলা গ্রহণ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷

