হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ জিতল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

চেন্নাই, ১৮ এপ্রিল(হি.স.) : তিন বোলারের দুরন্ত বোলিংয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ জিতে নিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ডেথ ওভারে দুরন্ত বোলিং জসপ্রীত বুমরাহ-ট্রেন্ট বোল্টের। মাঝের ওভারে আবার স্পিনের ভেলকি রাহুল চাহারের। মুম্বইয়ের দেওয়া ১৫১ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ১৩ রান দূরে থেমে গেল হায়দরাবাদের ইনিংস। কাজে এল না বেয়ারস্টোর দুর্ধর্ষ ইনিংস কিংবা বিজয় শংকরের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সও।


টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। কুইন্টন ডি’কককে সঙ্গে নিয়ে শুরুটাও বেশ ভাল করেছিলেন। শুরুটা কিছুটা ঢিমেতালে করলেও ধীরে ধীরে স্বমহিমায় ফিরতে শুরু করেন রোহিত। তবে ২৫ বলে ৩২ রান করার পরই আউট হয়ে যান মুম্বই অধিনায়ক। তবে তার আগেই অবশ্য একটি রেকর্ডও গড়ে ফেলেন। আইপিএলে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছয় মারার রেকর্ড গড়লেন রোহিত (২১৭)। ভাঙলেন আবার চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির (২১৬) রেকর্ড।


১৫১ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল করেছিল হায়দরাবাদও। প্রথম উইকেটে ৬৭ রান যোগ করেন ওয়ার্নার-বেয়ারস্টো জুটি। সেসময় বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাটিং করছিলেন জনি বেয়ারস্টো। সবাই মনে করছিলেন হাসতে হাসতে ম্যাচ জিতে যাবে হায়দরাবাদ। কিন্তু ২২ বলে ৪৩ রান করে আউট হন এই ইংরেজ ব্যাটসম্যান। তবে তার আগে মারেন তিনটি চার এবং চারটি ছয়। বেয়ারস্টো আউট হতেই অবশ্য ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে মুম্বই। মাত্র ২ রান করেই আউট হয়ে যান মনীশ পাণ্ডে। এরপর ওয়ার্নারকে (৩৬) দুরন্ত রান আউট করেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। আর হায়দরাবাদ অধিনায়ক ফিরতেই ম্যাচে পুরোপুরি জাঁকিয়ে বসে মুম্বই। এদিনও ডেথ ওভারে সেরকমই বল করলেন বুমরাহ-বোল্টরা। তাই শেষপর্যন্ত কাজে এল না ব্যাট হাতে বিজয় শংকরের দুরন্ত লড়াইও। শেষপর্যন্ত ১৩৭ রানেই থামল ওয়ার্নারদের ইনিংস। চাহার বাদে বোল্টও এদিন তিনটি উইকেট পান। এই হারের ফলে টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত জয় অধরাই রইল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের।