করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে যথেষ্ট পরিকাঠামো রয়েছে, জানাল সিপিএম

আগরতলা, ১৬ এপ্রিল (হি. স.)৷৷ করোনা মোকাবিলায় ত্রিপুরায় যথেষ্ট পরিকাঠামো রয়েছে৷ শুধু রাজ্যের সমস্ত হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে পুনরায় করোনার চিকিতা পরিসেবা চালু করতে হবে৷ আজ সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে করোনা মোকাবিলায় এভাবেই ত্রিপুরা সরকারের কাজকর্মে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই প্রাক্তন স্বাস্থ্য মন্ত্রী বিরোধী উপনেতা বাদল চৌধুরী এবং বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক তপন চক্রবর্তী৷ সাথে তাঁদের সতর্কবার্তা, করোনা পরিস্থিতি রাজ্যে নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আগেই গত বছরের মতো পরিকাঠামো নতুন করে সাজিয়ে তুলতে হবে৷


এদিন বাদল বাবু বলেন, নতুন করে করোনা-র প্রকোপে আমাদের সকলের একত্রিত হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত৷ শুধু তাই নয়, করোনাক্রান্ত সকলকে নজরদারির আওতায় আনতে হবে৷ তাঁর মতে, বাস স্টপ, রেলওয়ে স্টেশন, বিমান বন্দর এবং রাজ্যের অন্যান্য প্রবেশ দ্বারে বিশেষভাবে করোনা আক্রান্তদের চিহ্ণিত করার পদক্ষেপ নিতে হবে৷
তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিতাধীন রয়েছেন৷ তাই, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য আজ আমরা শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথের সাথে দেখা করেছি৷ বিশেষ করে সুকল-কলেজ বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছি৷ কারণ, পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে উঠছে৷ অবশ্য, ত্রিপুরা সরকার ইতিমধ্যেই সুকল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে শিক্ষামন্ত্রী আমাদের জানিয়েছেন, বলেন তিনি৷


তাঁর কথায়, করোনা মোকাবিলায় সিপিএম পার্টি ত্রিপুরা সরকারকে সমস্ত রকমভাবে সাহায্যে প্রস্তুত রয়েছে৷ এক্ষেত্রে ত্রিপুরা সরকারের এখন বেকার চিকিতক এবং নার্সদের এখন করোনা মোকাবিলায় যুক্ত করা উচিত৷ তাঁর বক্তব্য, করোনার চিকিতায় সমস্ত রকমের যন্ত্রপাতি রয়েছে৷ শুধু সেই যন্ত্রপাতি পরিচালনা করার উপযুক্ত মানুষ চাই৷ কারণ, এই অতিমারিতে একমাত্র স্বাস্থ্য কর্মীরাই মানুষের জীবন বাঁচাতে পারবেন৷


এদিন বিধায়ক তপন চক্রবর্তী বলেন, করোনা মোকাবিলায় ত্রিপুরায় যথেষ্ট পরিকাঠামো রয়েছে৷ শুধু গত বছর যেভাবে হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছিল, সেগুলি পুণরায় একইভাবে সাজিয়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে৷ সাথে তিনি যোগ করেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিকেন্দ্রীকরণ আবশ্যক হয়ে উঠেছে৷ তাঁর কথায়, ত্রিপুরায় সমস্ত জেলা হাসপাতালে মাইক্রো বায়োলজিস্ট রয়েছেন৷ তাই, এখন প্রত্যেকটি জেলা হাসপাতালে আরটি-পিসিআর যন্ত্র বসানো খুবই প্রয়োজন৷ তাতে, করোনা আক্রান্তদের দ্রুত চিহ্ণিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন৷