নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ ডিসেম্বর৷৷ টিএসআর লাঠির আঘাতে বাইক আরোহী বাইক নিয়ে রাস্তার পাশে ধাক্কা খেয়ে আহত দুইজন গুরুতর ১৷ ঘটনার বিবরণে জানা যায় গত ২ দিন আগে প্রীতম চক্রবর্তী বাইক নিয়ে মধুপুর এক আত্মীয়র বাড়িতে এসেছিল তখন রাস্তায় মধুপুর থানার পুলিশ রাস্তার যানবাহনের কাগজপত্র চেকিং করছিল৷
সেই সময় প্রীতম চক্রবর্তীএর বাইকটি আটক করা হয়৷ আজ প্রীতম চক্রবর্তী ২০০০ টাকা ফাইন দিয়ে মধুপুর থানা থেকে বাইক নিয়ে যাওয়ার পথে আবারও মধুপুর থানার পুলিশ সামনে পরে তখন একজন টি এস আর বাইকটি থামাতে সিগন্যাল দিলে ওরা সিগন্যাল না মেনে যাওয়ার সময় টিএসআর লাঠি দিয়ে ওর পিঠে আঘাত করে তৎক্ষণাৎ রাস্তার পাশে গিয়ে বাইক দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে পড়ে এবং প্রীতম চক্রবর্তী ও সুজন দাস গুরুতর ভাবে আহত হয়৷ যার মধ্যে প্রীতম চক্রবর্তী অবস্থা গুরুতর৷ প্রীতম চক্রবর্তী ও সুজন দাস বাড়ি বাধারঘাট মাতৃ পল্লী৷ পরবর্তী সময়ে এলাকার জনগণ তাদেরকে মধুপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়৷ জানা যায় প্রীতম চক্রবর্তী মাথা ফেটে যায় এবং হাত এবং মুখ দিয়ে প্রচন্ড পরিমাণে রক্তক্ষরণ হয়৷ এই খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ছুটে আসে মধুপুর থানার ওসি তাপস দাস৷
সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় মধুপুর প্রাথমিক হাসপাতালে৷ পরবর্তী সময়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দুই জনকে আহত অবস্থায় জিবি তে রেফার করে দেয় এদিকে এলাকার জনগণ মধুপুর থানার ভূমিকা এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন ঘটনা দেখে থমকে যায় পূর্বেও মধুপুর থানার পুলিশ সাধারণ জনগণকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে ১-২ বার ফাইন কেটেও তাদের সাথে খারাপ আচরণ করে বাইক আটকে রেখে তাদের নিয়ে মামলা করেছিল এদিকে মধুপুর বাজার ব্যবসায়ী সংঘের সম্পাদক তপন দেবনাথ জানান মধুপুর থানার পুলিশ যে ভূমিকা নিয়েছে শুক্রবার তা নেক্কার জনক৷

