আগরতলা, ১৫ ডিসেম্বর (হি. স.)৷৷ অনলাইন খাবার সরবরাহকারী সংস্থা-র এখন ত্রিপুরায় ব্যবসা চালু দায় হয়ে উঠেছে৷ ফলে, আরামে ঘরে বসে বিভিন্ন রকমারি খাবারের মজা নেওয়া আপাতত সম্ভব হচ্ছে না৷ ত্রিপুরায় অনলাইনে খাবার সরবরাহের অন্যতম সংস্থা সুইগি-র ব্যবসা ফের বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে৷ বাড়ি-বাড়ি খাবার পৌছে দেওয়ার কাজে নিযুক্ত কর্মী-রা আজ থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছে৷ তাঁদের অভিযোগ, খরচ মিটিয়ে সারাদিনে যৎসামান্য আয় হচ্ছে৷ তাই, সংস্থার তরফে লিখিতভাবে জ্বালানি তেল খরচের মূল্য বাড়ানো সহ অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিতে হবে৷ সম্প্রতি, বিভিন্ন হোটেল সুইগি এবং জোমেটো-র সাথে ব্যবসায়িক লেনদেন বন্ধ রেখেছে৷ তাদের অভিযোগ, কোন আলোচনা ছাড়াই কমিশন বাড়িয়ে দিয়েছে সংস্থাগুলি৷
এদিন জনৈক কর্মী জানিয়েছেন, ত্রিপুরায় বর্তমানে পেট্রোলের মূল্য লিটার প্রতি ৮৫ টাকা৷ কিন্তু, তাদের ৬৫ টাকা প্রতি লিটার দরে পেট্রোলের জন্য মূল্য চুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে৷ তাঁর বক্তব্য, সারাদিনে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা আয় হলেও পেট্রোল-র জন্য খরচ করতে হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা৷ ফলে, সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করার পর ভাগে জুটছে সাকুল্যে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা৷ তিনি বলেন, শুরুতে বৃষ্টির সময় রেইনকোট-র খরচ বাবদ খরচ দেওয়া হতো৷ এখন সেখানেও কাঁচি চালিয়েছে সংস্থা৷ তাঁর কথায়, এছাড়াও আরও সমস্যা রয়েছে, সমস্ত কিছুই সংস্থার উর্দতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি-তে নেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু আজও সমাধান হয়নি৷
তিনি বলেন, সংস্থার তরফে ১০ দিনের মধ্যে আমাদের দাবিগুলির ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ কিন্তু, ১০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি৷ তাই আজ থেকে আমরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছি৷ তাঁর বক্তব্য, সারা ত্রিপুরায় সুইগি-র অধীনে প্রায় ৩৭৯ জন খাবার সরবরাহকারী কর্মী রয়েছেন৷ তারা সকলেই একযোগে কর্মবিরতি পালন করছেন৷

