আগরতলা, ২৬ নভেম্বর (হি.স.) : বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ভারত বনধ-এ ত্রিপুরায় আংশিক সাড়া পড়েছে। শহর এলাকায় বনধ-এর প্রভাব তেমন দেখা যাচ্ছে না। শুধু দূরপাল্লার গাড়িগুলি মোটর স্ট্যান্ডে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। যানবাহন চলাচল করছে ঠিকই, কিন্তু যাত্রী সংখ্যা খুবই কম। রাজধানী আগরতলায় বনধ-এর কোনও প্রভাব এখনও বোঝা যাচ্ছে না। কারণ, বিভিন্ন মোড়ে দোকানপাট খুলেছে। বাজারগুলিতেও বিক্রেতাদের দেখা গেছে। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হল, আজ বনধ-এর সমর্থনে কোনও পিকেটিং হচ্ছে না। বরং, শাসক দল বিজেপি বনধ-এর বিরোধিতায় সারা রাজ্যে পিকেটিং করছে।
এদিন সকালে বিধায়ক রামপ্রসাদ পালের নেতৃত্বে আগরতলায় বিভিন্ন রাস্তায় বিজেপি কর্মীরা বনধ-এর বিরোধিতায় পিকেটিং করেছেন। তিনি বলেন, করোনা-র প্রকোপে দেশের অর্থব্যবস্থায় মারাত্মক আঘাত এসেছে। এরই ট্রেড ইউনিয়নের কর্মনাশা বনধ অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ করোনা-র প্রকোপ কাটিয়ে ধীরে ধীরে গতি নিচ্ছে। অর্থনীতির হাল ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি উন্নয়ন যজ্ঞ শুরু হয়েছে। তাই, আজকের এই কর্মনাশা বনধ-কে কোনওভাবেই সমর্থন করা যায় না। ত্রিপুরাবাসীও এই বনধ-কে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এদিকে, ত্রিপুরার প্রত্যন্তে বনধ-এর কিছুটা প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে, ধলাই জেলার লংতরাই, আমবাসা মহকুমায় বনধ-এর ফলে দোকানপাট খুলেনি। উত্তর ত্রিপুরা এবং ঊনকোটি জেলায়ও একই চিত্র উঠে এসেছে। বেলা যত বাড়ছে দোকানপাট, বাজার-হাট খুলতে শুরু করেছে। সিপিএমের অভিযোগ, শাসক দলের রক্তচক্ষুর ভয়ে ব্যবসায়ীরা দোকান খুলছেন। স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেউই দোকানপাট খুলতে রাজি ছিলেন না।