আগরতলা, ১২ নভেম্বর (হি.স.)৷৷ সোনার বিসুকট সহ এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে৷ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে উত্তর ত্রিপুরা জেলার কদমতলা থানাধীন বিষ্ণুপুর সীমান্ত দিয়ে পাচার বাণিজ্য চলছিল৷ অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার একজনকে জালে তুলতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ৷
উত্তর ত্রিপুরা জেলা পুলিশ সুপার ভানুপদ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে সোনা পাচার হচ্ছে প্রতিনিয়ত৷ সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানরা সরে গেলেই পাচারকারীরা এ-পাড়ে চলে আসে৷ তিনি বলেন, কদমতলা থানাধীন বিষ্ণুপুর এলাকার বাসিন্দা নগেন্দ্র দাস (৫৭)-এর কাছ থেকে ২৪০ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বিসুকট উদ্ধার হয়েছে৷ এর বাজারমূল্য আনুমানিক ১২ লক্ষ ৫০ হাজার ৫০০ টাকা৷
তাঁর কথায়, গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে আজ অভিযানে নেমে নগেন্দ্র দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ বাইসাইকেলে চেপে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়েছিল৷ বাইসাইকেলের সিটের নীচে কাপড় দিয়ে বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে সোনার বিসুকট৷ তিনি বলেন, ২০১৩ সালেও নগেন্দ্র দাস সোনা পাচারের জন্য গ্রেফতার হয়েছিল৷ তখন তার কাছ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের তিনটি সোনার বিসুকট উদ্ধার হয়েছিল৷
উত্তর ত্রিপুরার পুলিশ সুপারের দাবি, বাংলাদেশের মৌলভিবাজার এলাকা থেকে পাচারকারীরা ত্রিপুরায় প্রবেশ করে৷ ওই সোনার বিসুকট ধর্মনগর মোটর স্ট্যান্ডে অন্য এক পাচারকারীকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল নগেন্দ্র৷ সুনির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে৷
ভানুপদ চক্রবর্তী বলেন, নগেন্দ্র দাস পেশায় কৃষিজীবী৷ অসমেও জমি রয়েছে তার৷ সেই জমিতেই কৃষিকাজ করেন৷ আর্থিক দিক দিয়ে নগেন্দ্র স্বচ্ছল নন৷ পাচারের সামগ্রী আদান-প্রদানের কাজে নিযুক্ত তিনি৷