নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৮ অক্টোবর৷৷ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে৷ অন্য রোগে আক্রান্ত কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগীদের শারীরিক অবস্থা সঠিক খোঁজ রাখার জন্যই পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় এই ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ অন্তিম মুহূর্তে অনেকের জিবি হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়, তাই এই বিষয়টি এড়ানোর চেষ্টা চলছে৷ আজ বৃহস্পতিবার এ-কথা জানিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরার জেলাশাসক ডা. শৈলেশ কুমার যাদব৷ তাঁর দাবি, করোনা আক্রান্তের দেহে অক্সিজেনের মাত্রা যাতে কমে না যায় সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখা হচ্ছে৷
প্রসঙ্গত, সারা ত্রিপুরায় পশ্চিম জেলায় সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্ত রয়েছেন৷ এই জেলায় এখন পর্যন্ত ৯,৯৪০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ তাঁদের মধ্যে ৮,৪৩৬ জন সুস্থ হয়েছেন৷ মৃতের সংখ্যায়ও পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শীর্ষ স্থানে রয়েছে৷ এই জেলায় সর্বাধিক ১৬২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন৷
আজ পশ্চিম ত্রিপুরার জেলাশাসক জানিয়েছেন, সম্প্রতি এই জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটা কমেছে৷ তবে অন্য রোগে আক্রান্ত কোভিড-১৯ পজিটিভদের বিশেষ যত্ন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে৷ তিনি বলেন, এখন সমস্ত করোনা আক্রান্তদের টেলিফোনে স্বাস্থ্যের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে৷ অন্য রোগে আক্রান্তদের দুবার করে স্বাস্থ্যের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে৷ মূলত, হোম আইসোলেশনে রয়েছেন যাঁরা তাঁদের জন্যই এই ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসন৷ তাঁর দাবি, পশ্চিম জেলায় ছয়টি আরবান প্রাইমারি হেল সেন্টার রয়েছে৷ সেখান থেকে মোবাইল টিম করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছে৷ এ-ক্ষেত্রে অন্য রোগে আক্রান্তদের পালস অক্সিমিটার দেওয়া হচ্ছে৷ তা দিয়ে অক্সিজেনের পরিমাণ মেপে দেখা সম্ভব হবে৷
তিনি বলেন, ওই টিমে একজন চিকিৎসক, একজন ফার্মাসিস্ট এবং একজন এমপিডব্লিউ রয়েছেন৷ তিনি জানান, স্বাস্থ্য কর্মী যাঁরা ইতিমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন সুস্থ আছেন, তাঁরা স্বেচ্ছায় এই কাজে এগিয়ে আসছেন৷ তিনি বলেন, করোনায় আক্রান্তদের মেডিসিন কিট দেওয়ার সাথে অতিরিক্ত ওষুধের প্রয়োজন হলে, তারও ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷

