নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১০ জুলাই৷৷ ত্রিপুরায় র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট শুরু হয়েছে৷ আজ আগরতলা স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেসের যাত্রীদের পরীক্ষার মাধ্যমে র্যাপিডএন্টিজেন টেস্টের সূচনা হয়েছে৷ আগামীকাল শনিবার থেকে গোমতী জেলা সদর উদয়পুর শহরে করোনা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রেপিড এন্টিজেন টেস্ট করা হবে৷ তার জন্য প্রশিক্ষণ নেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ এবং আজকের মধ্যেই করোনা সংক্রমণের লক্ষণ রয়েছে এমন লোকেদের তালিকা তৈরি হয়ে যাবে৷ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও আশা কর্মী-রা মিলে ওই তালিকা তৈরি করছেন৷
ত্রিপুরা সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে রাজ্যে করোনা মোকাবিলায় র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট শুরু হয়েছে৷ বহিঃরাজ্য থেকে আগত সকলের নমুনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ত্রিপুরা সরকার৷ সাথে ত্রিপুরায় বসবাসকারী সাধারণ নাগরিকদেরও ওই পরীক্ষা করা হবে৷ সে-মোতাবেক আজ আগরতলা রেল স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস-র যাত্রীদের র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে৷ প্রায় পাঁচ শতাধিক যাত্রীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়েছে৷ তাদের মধ্যে যাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ আসবে তাদের রেল স্টেশন থেকেই আইসোলেশনে নেওয়া হবে৷ বাকি যাত্রী-দের গৃহে একান্তবাসে পাঠানো হবে৷
এদিকে, গোমতী জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট-র জন্য গতকাল প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে৷ আজকেও এক মাইক্রো বায়োলজিস্ট প্রশিক্ষণের জন্য আগরতলায় গিয়েছেন৷ তিনি বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং আশা কর্মী-রা তালিকা তৈরি করছেন৷ এক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণ-র বিভিন্ন লক্ষণ রয়েছে এমন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে৷ তাঁর কথায়, জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যাথা, পেট খারাপ, শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের চিহ্ণিত করে তালিকা প্রস্তুত হচ্ছে৷ এছাড়াও, বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্তদের তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করা হবে৷
তিনি বলেন, আপাতত উদয়পুর শহরে করোনা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ওই টেস্ট করা হবে৷ ৪-৫ জন করোনা আক্রান্ত রয়েছেন ওই এলাকাগুলি টেস্টের জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হবে৷ তাঁর দাবি, ইতিমধ্যে ৩০০০ র্যাপিড এন্টিজেন কীট এসে পৌছেছে৷ ওই কীট হাসপাতালভিত্তিক বন্টন করা হবে৷ তিনি জানান, একটি কেন্দ্রে ওই টেস্ট পরিচালনার জন্য ৩ জন স্বাস্থ্য কর্মী-র প্রয়োজন রয়েছে৷ সমস্ত প্রস্তুতি চূড়ান্ত হয়েছে৷ আগামীকাল থেকেই উদয়পুর শহরে র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট শুরু হবে৷ তাঁর দাবি, ওই টেস্ট আধা ঘন্টার মধ্যেই রিপোর্ট পাওয়া সম্ভব হবে৷

