ঢাকা, ২৯ জুন (হি.স.): বাংলাদেশের কেরানীগঞ্জের ফরাশগঞ্জ ঘাটে, বুড়িগঙ্গা নদীতে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে গেল একটি লঞ্চ। লঞ্চ ডুবিতে উদ্ধার হল আরও দুটি মৃতদেহ । ফলে এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৩২ জন। এছাড়াও এখনও অনেকেই নিখোঁজ, নৌবাহিনী ও দমকল কর্মীদের তৎপরতায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বহু যাত্রীকেই। মৃত ৩২ জনের মধ্যে ৮ জন মহিলা, তিনটি শিশু ও ২১ জন পুরুষ।
সোমবার সকাল ন’টা নাগাদ এমএল মর্নিং বার্ড নামক একটি লঞ্চ মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি এলাকা থেকে সদরঘাটের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। সদরঘাটের কাছেই ফরাশগঞ্জ ঘাট এলাকায় নদীতে লঞ্চটি ডুবে যায়। জানা গিয়েছে, ময়ূরী নামে একটি লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায় মর্নিং বার্ড নামক একটি লঞ্চটি। লঞ্চ ডুবে যাওয়ায় প্রায় ৭০ জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩২ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়।
সদরঘাট নৌ থানার ওসি রেজাউল করিম ভূঁইয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার সকালের এ দুর্ঘটনায় বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ৩০ জনের পরিচয় মিলেছে । তারা হলেন- ১. সত্যরঞ্জন বনিক (৬৫), ২. মিজানুর রহমান (৩২), ৩. শহিদুল (৬১), ৪. সুফিয়া বেগম (৫০), ৫. মনিরুজ্জামান (৪২), ৬. সুবর্ণা আক্তার (২৮), ৭. মুক্তা (১২), ৮. গোলাম হোসেন ভুইয়া (৫০), ৯. আফজাল শেখ (৪৮), ১০. বিউটি (৩৮), ১১. ছানা (৩৫), ১২. আমির হোসেন (৫৫), ১৩. মো. মহিম (১৭), ১৪. শাহাদাৎ (৪৪), ১৫. শামীম ব্যাপারী (৪৭), ১৬. মিল্লাত (৩৫), ১৭. আবু তাহের (৫৮), ১৮. দিদার হোসেন (৪৫), ১৯. হাফেজ খাতুন (৩৮), ২০. সুমন তালুকদার (৩৫), ২১. আয়শা বেগম (৩৫), ২২. হাসিনা রহমান (৪০), ২৩. আলম বেপারী (৩৮), ২৪. মোসা. মারুফা (২৮), ২৫. শহিদুল হোসেন (৪০), ২৬. তালহা (২), ২৭. ইসমাইল শরীফ (৩৫), ২৮. সাইফুল ইলাম (৪২), ২৯. তামিম ও ৩০. সুমনা আক্তার। এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি অনেক যাত্রীকেই। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

