নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ জুন৷৷ রাজ্যে নতুন করে আরও ৫৫ জন করোনা সংক্রমিতের সন্ধান মিলেছে৷ আজ ১১২৫ টি নমুনা পরীক্ষায় ৫৫ জনের কোভিড-১৯ রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে৷ তাদের অধিকাংশের বহির্রাজ্যে ভ্রমণের তথ্য রয়েছে৷ এবং বাকিরা করোনা আক্রান্তদের সংস্পর্শে ছিলেন৷ আজ রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব৷
এদিকে, কোভিড-১৯ এর নমুনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ত্রিপুরা৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৮,৩২৪ জনের যা উত্তর পূর্বা’ল রাজ্যগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ৷ বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, চুড়াইবাড়ি, চেকপোস্টগুলিতে সারা রাজ্যে স্বাস্থ্য দপ্তরের মাধ্যমে মোট ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৮৮৯ জনের িিনং করা হয়েছে৷ এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় িিনং হয়েছে পশ্চিম জেলায়৷ আজ সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ৷
তিনি বলেন, রাজ্যে কোভিড কেয়ার সেন্টারের সংখ্যা আরও ৮টি বৃদ্ধি করা হয়েছে৷ যা আগে ৯টি ছিল৷ এইগুলি হলো গোমতী জেলার উদয়পুরের পি আর টি আইতে ৫০ শয্যা থেকে বাড়িয়ে ৮০ শয্যা করা হয়েছে৷ সিপাহীজলার লালসিংমুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ২০ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শয্যা করা হয়েছে৷ দক্ষিণ ত্রিপুরার দেবদারু পি এইচ সি তে ২০ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শয্যা করা হয়েছে৷ খোয়াই জেলার চাম্পাহাউর পি এইচ সি তে ২০ থেকে ৫০ শয্যা করা হয়েছে৷ ধলাই’র পলিটেকনিক ইনস্টিটিউশন হোস্টেলে ৫০ শয্যা রয়েছে৷ এছাড়াও নতুন করে ঊনকোটি জেলার কুমারঘাটস্থিত পি আর টি আই এবং উত্তর জেলার পানিসাগরের স্পোর্টস সুকলে যথাক্রমে ৮০ এবং ১০০ শয্যার ব্যবস্থা রয়েছে৷
পাশাপাশি ঊনকোটি জেলায় নিশির’ন মেমোরিয়াল পি এইচ সি কে কোভিড কেয়ার সেন্টার করা হয়েছে৷ আগামীদিনে এই কোভিড সেন্টারগুলিতে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ভর্তি করা হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান৷
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আজ চুড়াইবাড়ি গেইট দিয়ে ৪৩৭ জন রাজ্যে প্রবেশ করেছেন৷ তাদের মধ্যে ১৫৮ জন ট্রাক ড্রাইভার, ১৬ জন অন্য রোগে আক্রান্ত রোগী এবং ২৬৩ জন ভিন রাজ্যে আটকে থাকা সাধারন নাগরিক৷
