নয়াদিল্লি, ১৩ এপ্রিল(হি.স.): করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলা লকডাউনে কমছে গঙ্গার দূষণ। এই লকডাউনে গঙ্গার জলের গুণমানে এতই বদল এসেছে যে তা পানীয় জল হিসেবেও ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠেছে । বিশেষ করে বারাণসী এবং হরিদ্বারের উপর দিয়ে গঙ্গার যে অংশ বয়ে গিয়েছে সেখানে বেশি করে চোখে পড়েছে গঙ্গা জলের বিশুদ্ধতা। বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
করোনার জেরে গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেই থেকে বন্ধ রয়েছে সমস্ত কলকারখানা। যার জেরে দূষণের মাত্রা কমেছে গঙ্গাজলে। এই লকডাউনে গঙ্গার জলের গুণমানে এতই বদল এসেছে যে তা পানীয় জল হিসেবেও ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠেছে । বিশেষ করে বারাণসী এবং হরিদ্বারের উপর দিয়ে গঙ্গার যে অংশ বয়ে গিয়েছে সেখানে বেশি করে চোখে পড়েছে গঙ্গা জলের বিশুদ্ধতা। বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন লকডাউনের ফলে কলকারখানাগুলো বন্ধ তাই কারখানার বর্জ্য এসে সরাসরি গঙ্গায় মিশছে না। এর জেরেই কমেছে দূষণের মাত্রা। সেই সঙ্গে লকডাউন চলাকালীন হরিদ্বারের গঙ্গার ঘাটেও কোনও লোকসমাগম হয়নি। আবর্জনা ফেলা হোক কিংবা স্নান করা—–এই ক’দিনে এসবের কিছুই হয়নি। ফলে ঘাট থেকেই স্পষ্ট ভাবে জলের অনেক গভীর পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। জল স্বচ্ছ হয়ে যাওয়ায় মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণেরও দেখা পাওয়া গিয়েছে।
আইআইটি-বিএইচইউ-এর এক অধ্যাপক এনএনআই-কে বলেছেন, “মূলত আশেপাশের কারখানা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকেই আবর্জনা জমা হত গঙ্গায়। লকডাউনের জেরে সেইসব বন্ধ থাকায় দূষণের মাত্রা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গিয়েছে।” এর মধ্যে বৃষ্টিও হয়েছে এইসব এলাকায়। ফলে জলের লেভেলও বেড়েছে।

