রাজ্যে জিএসডিপি বেড়ে ৬৩,৪৬৬ কোটি টাকা, বেড়েছে মাথাপিছু আয়ও : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৯ ফেব্রুয়ারি৷৷ একটা রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে কিনা তা মূলত দু’টি বিষয় দেখে বোঝা যায়৷ ইকোনমি সাইজ অর্থাৎ জি এস ডি পি এবং মাথা পিছু আয় দেখেই রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়৷ আজ সন্ধ্যায় সচিবালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ-কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ৷ তাঁর দাবি, ২০১৭-১৮ সালে ত্রিপুরার জি এস ডি পি ছিল ৪৪,১৬১ কোটি টাকা৷ বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৬৩,৪৬৬ কোটি টাকা৷ দুই বছরের মধ্যে এই বৃদ্ধি হয়েছে৷


এদিন শ্রীনাথ আরো দাবি করেন, মাথা পিছু আয়ও বর্তমান সরকারের সময়কালে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ তাঁর কথায়, ২০১৭-১৮ সালে মাথা পিছু আয় ছিল ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা৷ বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮ টাকা৷ তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে মাথা পিছু আয় ২ লক্ষ ২৬ হাজার ২১১ টাকায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ত্রিপুরা সরকার৷ জি এস ডি পি ক্ষেত্রে এই লক্ষ্যমাত্রা ৯৫ হাজার ৪৬৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকায় নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য৷


তিনি বলেন, মাথা পিছু আয়ের ক্ষেত্রে ২০১৭-১৮ সালে সারা দেশের মধ্যে ত্রিপুরার অবস্থান ছিল ২১ নম্বরে৷ বর্তমানে পাঁচ ধাপ এগিয়ে ত্রিপুরার অবস্থান হয়েছে ১৬ নম্বরে৷ তাঁর দাবি, ত্রিপুরায় কর সংগ্রহের হারও আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ ২০১৭-১৮ তে রাজ্যের নিজস্ব কর সংগ্রহ ছিল ১,৯১৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা৷ ২০১৯-২০ এ তা বেড়ে হয়েছে ২,৩৩৪ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা৷ বৃদ্ধির হার ২১.৮২ শতাংশ৷ এরজন্য অবশ্য মানুষের উপর বাড়তি করের বোঝা চাপানো হয়নি বলে দাবি করেন তিনি৷


তাঁর মতে, আর্থিক শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়েই এই কর সংগ্রহ বেড়েছে৷ কর সংগ্রহ বৃদ্ধিকে রাজ্যের জন্য একটি ইতিবাচক দিক বলে উল্লেখ করে তিনি পূবর্তন সরকার রাজ্যবাসীর কাধে যে ঋণের পরিমাণ রেখে গেছেন তার তথ্য তুলে ধরেন৷ তিনি জানান, ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ত্রিপুরার ঋণের পরিমাণ ছিল ১২,৯০২ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা৷ এরজন্য প্রতিদিন ঋণ ও তার সুুদ বাবদ রাজ্যকে দিতে হচ্ছে ৫ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা৷