নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৮ ডিসেম্বর ৷৷ নেশা কারবারীরা নতুন নতুন কৌশলে নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ইনজেকশন সহ অন্যান্য নেশা সামগ্রী বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে৷ রাজধানী আগরতলা শহরে স্ট্রীট গার্লদেবকে ও একাজে যুক্ত করেছে নেশাকারবারীরা৷ বুধবার আইজিএম চৌমুহনিতে নেশাজাতীয় প্রচুর পরিমান ট্যাবলেট সহ এক স্ট্রীট গার্লকে আটক করা হয়েছে৷ তার কাছ থেকে নেশা কারবারচক্রের কয়েকজনের নাঢমৈধাম ও জানতে পরেছে পুলিশ৷ সংসৃকতির পীঠস্থান রাজধানী আগরতলা শহর বর্তমানে নেশার সাগরে ভাসছে৷ রাজ্য সরকার নেশাবিরোধী অভিযান জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নেশা কারবারীরা নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে৷ একাজে তারা স্ট্রীট গার্লদেরকেও কাজে লাগাতে শুরু করেছে৷ বুধবার হাতে নাতে তার প্রমাণ মিলেছে৷

আইজিএম চৌমুহনিতে প্রচুর নেশা জাতীয় ট্যাবলেট সহ এক স্ট্রীটগার্লকে আটক করা হয়৷ মহিলার কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে জয়পুরের সায়ন মিঞা এই নেশা বাণিজ্যের মূল কান্ডারী৷ এই চক্রে আবুল মিঞা এবং ভট্টপুকুরের রাজু সহ আরও বেশ কয়েকজন জড়িত রয়েছে৷ খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, জয়পুরের সায়ন মিঞার বাড়িতে নেশা সামগ্রীর ঠেক গড়ে উঠেছে৷ এখান থেকে এসব নেশা সামগ্রী রাজধানী আগরতলা শহর ও শহরতলীতে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে৷ এসব নেশা সামগ্রীর কবলে পড়ে যুব সমাজ হাবুডুবু খাচ্ছে৷ সর্বনাশা নেশায় অনেকের জীবন বিপন্ন হয়ে গেছে৷ সুকল কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে ভদ্রবেশীরাও এসব নেশায় আবচ্ছন্ন হচ্ছে৷ পশ্চিম থানার পুলিশ মহিলাকে আটক করেছে৷ নেশা কারবারের মূল পান্ডাদের আটক করতে পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে৷
রাজধানী আগরতলা শহরে পুলিশের জ্ঞাতসারেই এসব নেশা কারবার চলেছে৷ পুলিশ কঠোর মনোভাব গ্রহণ করলে যুব সমাজকে ধবংসের হাত থেকে রক্ষা করা খুব বেশী কঠিন কাজ নয় বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে৷

