নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৪ ডিসেম্বর৷৷ মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহে আগরতলা পুর নিগম এবং তথ্য ও সংস্ক’তি দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আজ আগরতলা পুর নিগম ভিত্তিক লোকসংস্ক’তি উৎসব-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়৷ আগরতলা পুর নিগমের মেয়র ড. প্রফুল্লজিৎ সিনহা অনুষ্ঠানের সূচনা করেন৷ অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ রাখেন তথ্য ও সংস্ক’তি দপ্তরের সহ অধিকর্তা বিপুল দেববর্মা৷ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আগরতলা পুর নিগমের ডেপুটি মেয়র সমর চক্রবর্তী৷ অনুষ্ঠানে আগরতলা পুর নিগমের মেয়র ড. প্রফুল্লজিৎ সিনহা বলেন, লোকসংস্ক’তি মানুষের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক৷ সাংস্ক’তিক ঐতিহ্য ও মাত’ভাষা দুটোই হচ্ছে জাতির ভিত্তি৷

এগুলিকে কেন্দ্র করেই যেকোন জাতির উন্নয়ন হয়৷ ত্রিপুরা রাজ্যে গ্রাম থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত এক উন্নত সংস্ক’তির ধারা প্রবহমান৷ জনজাতি, বাঙালী, মণিপুরী, মুসলিম প্রভ’তি অংশের মানুষের লোকসংস্ক’তি মিলিয়ে আমাদের রাজ্যে মিশ্র সংস্ক’তি গড়ে উঠেছে৷ আগরতলা পুর নিগমের মিউনিসিপ্যাল কমিশনার ড. শৈলেশ কুমার যাদব বলেন, লোকসংস্ক’তি হচ্ছে যেকোন মানব সভ্যতার এক মৌলিক ভিত৷ যেকোন ধর্মের বা জাতির শিকড়ই হচ্ছে তার নিজ নিজ সংস্ক’তি৷
এই ছোট রাজ্য ত্রিপুরায় সংস্ক’তির প্রসার খুবই বেশী৷ ত্রিপুরায় ১৯টি জনজাতি গোষ্ঠী এবং বাঙালীদের চিরাচরিত সংস্ক’তি দেশ ও দেশের বাইরে সুুনাম অর্জন করেছে৷ লোকসংস্ক’তি উৎসবের মূল উদ্দেশ্যেই হচ্ছে লোকসংস্ক’তিকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলা এবং ছোট থেকে বড় সকল ধরণের শিল্পীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়িয়ে বিশ্বের মধ্যে খ্যাতি অর্জন করা৷ এছাড়া বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী অমর ঘোষ এবং আগরতলা পুর নিগমের ডেপুটি মেয়র সমর চক্রবর্তীও আলোচনা করেন৷
অনুষ্ঠানে আড়ালিয়া লোক র’ন শাখার শিল্পীরা কাওয়ালী পরিবেশন করেন৷ এছাড়া তথ্য ও সংস্ক’তি দপ্তরের শিল্পীগণ এবং বিভিন্ন সাংস্ক’তিক সংস্থার শিল্পীরা গাজন নৃত্য, পালা কীর্ত্তন, মণিপুরী নৃত্য, গড়িয়া নৃত্য, ধামাইল নৃত্য, লোকগান, লোকনৃত্য এবং একক সংগীত পরিবেশন করেন৷

