নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৪ অক্টোবর৷৷ আজ রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ বৈঠক শেষে মহাকরণে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ সংবাদ জানান শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ৷ তিনি জানান, রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগনীতি ২০০৯-এ সংশোধনী আনা হয়েছে৷ আগে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়স ছিলো ১৮-২২৷ বর্তমানে তা পরিবর্তন করে ১৮-২৪ করা হয়েছে৷ এক্ষেত্রে স্নাতকদের জন্য ২ বছর এবং এস সি / এস টি-দের জন্য বয়স ৫ বছর শিথিলযোগ্য৷

শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে৷ আগে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিলো মাধ্যমিক পাশ৷ এখন তা এস সি / এস টি-দের জন্য করা হয়েছে অষ্টম শ্রেণী উত্তীর্ণ৷ অন্যান্যদের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পাশ৷ নিয়োগে লিখিত, শারীরিক ও মৌখিক পরীক্ষায় মার্কস-এর ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে৷ আগে লিখিত পরীক্ষায় মোট নম্বর ছিলো ৬০৷ পাশ মার্কস ছিলো ২৪৷ মৌখিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে মোট নম্বর ছিলো ৪০৷ এক্ষেত্রে তা সংশোধন করে লিখিত পরীক্ষায় ৫০, শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষায় ৪০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ১০ নম্বর রাখা হয়েছে৷ পাশ মার্কস রাখা হয়েছে ৩৬৷ পুলিশ কনস্টেবল (পুরুষ ও মহিলা) উভয় ক্ষেত্রে নিয়োগের জন্যই মন্ত্রিসভা এই সংশোধনী অনুমোদন দিয়েছে বলে তিনি জানান৷ এছাড়াও এদিন সায়েন্টিফিক অফিসার, স্টাফ নার্স ও ইয়ুথ অর্গানাইজার নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগনীতির সংশোধনীও মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেন বলে তিনি জানান৷ এছাড়াও তিনি জানান, শিক্ষা দপ্তরে ’ট্রান্সপোর্টেশন স্কীম’ চালু করার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা৷
বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ২৫ বা তার কম রয়েছে এমন নিম্ন ও উচ্চবুনিয়াদি বিদ্যালয়গুলিকে পর্যায়ক্রমে নিকটবর্তী বিদ্যালয়গুলির সাথে একত্রীকরণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলো শিক্ষা দপ্তর৷ ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা একেবারেই কম রয়েছে (০-২৫) এমন বিদ্যালয়গুলিতে গুণগত শিক্ষা প্রদান করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে৷ এমন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষাক্ষেত্রে অনুপ্রাণিত হতে পারছে না৷ সামাজিক আচরণ, কথাবার্তা, সহপাঠী থেকে শিক্ষা এসব ক্ষেত্রেও তারা পিছিয়ে রয়েছে৷ কম ছাত্র-ছাত্রী হওয়ার কারণে খেলাধূলায়ও এমন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা পিছিয়ে রয়েছে৷ তিনি বলেন, ০-২৫ ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে এমন প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৯১৫টি, উচ্চবুনিয়াদি বিদ্যালয় রয়েছে ৪৬টি৷ ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৮০০০৷ এই সংখ্যা টিটিএএডিসি সহ৷

