পরিবাহী লাইন সম্প্রসারনের জন্য রাজ্য সরকার এনইসি থেকে ১২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা অনুমোদন পেল : উপমুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ জুলাই : আমবাসা – গন্ডাছড়া ৪৯.১৬ কিমি উন্নত বিদ্যু পরিবাহী লাইন সম্প্রসারনের জন্য ১২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা রাজ্য সরকার অনুমোদন পেয়েছে৷ উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ থেকে এ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে৷ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সরকার ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠেছে৷ শীঘ্রই লাইন সম্প্রসারনের রাজ শুুর হবে৷ সোমবার মহাকরণে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান উপ মুখ্যমন্ত্রীি যীষ্ণু দেববর্মা৷ এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলতে গিয়ে শ্রী দেব বর্মন জানান বিগত বাম সরকারের আমলে ২০০৮ সালে এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল৷ তৎকালীন সময়ে উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ এই প্রকল্পটি মঞ্জুর করেছিল৷

তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য তেমন কোনও উদ্যোগই নেয়নি৷ এর ফলে উত্তর পূর্র্বঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ প্রকল্পটি বাতিল করে দেয়৷ বামফ্রন্ট সরকারের নেতিবাচক ভূমিকার কারণে প্রায় এক দশক আমবাসা গন্ডাছড়া খেশারত দিতে হচ্ছে আমবাসা- গন্ডাছড়া এলাকার মানুষকে৷ বহু পুরানো ও দুর্বল বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের জন্য বর্তমানে গন্ডাছড়া এলাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে৷ সময়মত প্রকল্প বাস্তবায়ন না করায় বামফ্রন্ট আমলের গাফিলতির দায় বর্তমান সরকারের উপর বর্তাচ্ছে৷


রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পরই বাতিল হওয়া এই প্রকল্পটি পুনরায় মঞ্জুরের জন্য উপ মুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মন তোড়জোড় শুরু করেন৷ উপ মুখ্যমন্ত্রী প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের সঙ্গে বার করে যোগাযোগ করেন এবং প্রকল্পটি পূনরায় অনুমোদনের জন্য পর্ষদের কাছে আবেদন করেন৷ মন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ ১২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা রাজ্য সরকারকে অনুমোদন দেন৷ বাতিল হওয়া প্রকল্পটি পূনরায় অনুমোদন করে অর্থ মঞ্জুর করায় উপ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী দেববর্মণ উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদকে ধন্যবাদ জানান৷ তিনি বলেন এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আমবাসা – গন্ডাছড়া এলাকার বিদ্যুৎ পরিষেবার মান বহুগুন উন্নত হবে৷ প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে ইতিমধ্যেই বিদুৎ নিগমকে নির্দেশ দিয়েছেন৷


উপমুখমন্ত্রী আরও জানান রাজ্যের সার্বিক বিদ্যুৎ পরিকাঠামের উন্নয়নে সরকার ত্রিবার্ষিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে৷ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ চাওয়া হয়েছিল৷ ব্যাঙ্ক ১৯২৫ কোটি টাকা মঞ্জুরও করেছে৷ মন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন যে ত্রি বার্ষিক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়ে গেলে বিদ্যুৎ পরিষেবার মন বহুগুন উন্নত হবে৷