দিল্লিতে মন্দির ভাঙচুর, রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে চিঠি ত্রিপুরার বজরং দল ও বিশ্বহিন্দু পরিষদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ জুলাই ৷৷ দিল্লিতে মন্দিরে হামলার ঘটনায় আজ রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছে বিশ্বহিন্দু পরিষদ ও বজরং দল৷ রাজ্যের আট জেলাশাসকের কাছে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে লেখা চিঠি তুলে দিয়েছেন সংগঠনের কর্মকর্তারা ৷


এ-বিষয়ে আগরতলায় বজরং দলের দক্ষিণ-পূর্ব সহসংযোগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রসেনজিৎ দাস জানান, জেহাদি কার্যকলাপের জন্য দেশজুড়ে অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ৷ দিল্লিতে মন্দিরে হামলার ঘটনা তারই অঙ্গ বলে তিনি অভিযোগ করেন৷ তাঁর কথায়, জেহাদিদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণায় রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে চিঠি পাঠানো হচ্ছে ৷ তিনি বলেন, সনাতন ধর্মের উপর আক্রমণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না৷ সে-ক্ষেত্রে সরকারের কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল ৷ কিন্তু, দিল্লির মন্দিরে আক্রমণের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি ৷


তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সনাতন ধর্মের উপর এভাবে আক্রমণ হলে বজরং মুখ বুঝে সহ্য করবে না ৷ প্রয়োজনে অস্ত্র হাতে তুলে নিতেও দুবার ভাববে না৷ তাঁর বক্তব্য, আজ সারা দেশেই সমস্ত জেলাশাসকের কাছে ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দোষীদের শাস্তি এবং সনাতন ধর্মের নিরাপত্তার দাবিতে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে চিঠি পাঠানো হয়েছে৷ তিনি বলেন, ত্রিপুরার আট জেলার জেলাশাসকদের মাধ্যমে চিঠি পাঠানো হবে৷ তাঁর আশা, রাষ্ট্রপতি এ-বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন৷ কারণ, মন্দির ধবংস, গো-হত্যা এই দেশের জন্য বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে৷


এদিকে উত্তর ত্রিপুরা জেলা বিশ্বহিন্দু পরিষদের শাখা সম্পাদক সুরজ ভট্টাচার্য বলেন, দিল্লির চাঁদনিচকে ১৫০ বছরের পুরনো মন্দিরে জোহাদি গোষ্ঠী ভাঙচুর এবং সাধুসন্তদের উপর অত্যাচার চালিয়েছিল ৷ তাঁর কথায়, কিছুদিন আগে পানিসাগর মহকুমার (উত্তর ত্রিপুরা) পদ্মবিলে দুটি বাইক পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং একটি গাড়ি ভেঙে দিয়েছিল দুষৃকতকারীরা ৷ একইভাবে রবিবার রাজনৈতিক দলের উপর আক্রমণ করে ২২টি বাইক ও একটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷ তাঁর অভিযোগ, জেহাদিরা এ-রাজ্যেও ঢুকে পড়েছে৷ তাদের কঠোর হাতে দমন না করা হলে আগামীদিনে রাজ্য তথা দেশের জন্য ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়াবে৷