নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩০ জানুয়ারি ৷৷ রেগায় প্রথম দফায় যে সম্পদ তৈরি হয়েছে সেখানে পূণরায় সম্পদ সৃষ্টি করা যায় কি না সেই বিষয়ে পর্যালোচনা করে এনআইটি আগরতলা রিপোর্ট দেবে৷ তাই, গ্রামোন্নয়ন দপ্তরকে প্রথম দফায় সম্পদ সৃষ্টির তালিকা তৈরি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ বুধবার মহাকরণে একথা জানিয়েছেন, উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা৷ সাথে তিনি যোগ করেন, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের রেগায় শ্রমদিবস ২ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার৷

রাজ্যের জন্য রেগায় শ্রমদিবসের কোনও অভাব নেই৷ কিন্তু, সম্পদ সৃষ্টির জন্য জমির অভাব দেখা দিয়েছে৷ রেগা প্রকল্পের সূচনা লগ্ণ থেকে এখন পর্যন্ত এ রাজ্যে প্রচুর সম্পদ সৃষ্টি হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে অধিকাংশ সম্পদই জিও ট্যাগিং করা হয়েছে৷ ফলে, একই জায়গায় পূনরায় রেগায় কাজ সম্ভব নয়৷ অথচ, রেগা প্রকল্পে কাজ বন্ধ করাও সম্ভব নয়৷ এ বিষয়ে গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা বলেন, প্রথম দফায় যে সম্পদ তৈরি হয়েছে সেখানে পূনরায় সম্পদ সৃষ্টি সম্ভব কিনা তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু হয়েছে৷ এক্ষেত্রে পর্যালোচনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে৷ তাই, রেগা প্রকল্পের সূচনা লগ্ণ থেকে এখন পর্যন্ত যত সম্পদ সৃষ্টি হয়েছে তার তালিকা তৈরি করার জন্য দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর বক্তব্য, যে সম্পদ সৃষ্টি হয়েছে সেখানে পূনরায় সম্পদ সৃষ্টির জন্য কাজ করা যায় কিনা তা পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে এনআইটি আগরতলাকে৷ গ্রামোন্নয়ন দপ্তর রাজ্যে রেগা প্রকল্পে সৃষ্টি সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করার পরই ওই পর্যালোচনার কাজ শুরু হবে৷ ওই পর্যালোচনা থেকে প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷ প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের সহযোগিতাও চাইবে রাজ্য সরকার৷
এদিকে, রাজ্যে রেগায় শ্রমদিবসের কোনও অভাব নেই বলে জানিয়েছেন গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী৷ তাঁর কথায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রাজ্যের জন্য ২ কোটি শ্রম দিবস থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি শ্রম দিবস ল্যাবার বাজেটে অনুমোদিত হয়েছে৷ এখন পর্যন্ত রাজ্যে ২ কোটির অধিক শ্রমদিবস সৃষ্টি হয়েছে৷ এদিন গ্রামোন্নন মন্ত্রী রেগায় কাজ নেই বিরোধীদের এই অভিযোগের খন্ডন করেছেন৷ তাঁর কথায়, পূর্বতন সরকারের আমলে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ২ কোটি ২৭ লক্ষ ৫৩ হাজার শ্রমদিবসের অনুমোদন পেয়েছিল রাজ্য৷ কিন্তু, ১ কোটি ৭৬ লক্ষ শ্রমদিবসই সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে ওই অর্থ বছরে৷ সেই তুলনায় রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর চলতি ইংরেজি বছরের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ২ কোটি ৬ লক্ষ ৭৬ হাজার শ্রমদিবস সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে৷ তার মধ্যে অধিকাংশ কাজ এডিসি এলাকায় হয়েছে৷