নয়াদিল্লি, ১২ জানুয়ারি (হি.স.): জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসদমন অভিযানে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য পাচ্ছে নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনী| বিগত বছরগুলিতে জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর অভিযানে খতম হয়েছে লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ, হিজৱুল মুজাহিদিন-সহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদী| নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টাও বহুবার ভেস্তে দিয়েছে সীমান্ত রক্ষ বাহিনী (বিএসএফ)| সন্ত্রাস দমনে পূর্বতন সরকার গুলির তুলনায় মোদী সরকার যথেষ্ট সাফল্য পেয়েছে, এমনই মত কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের| শনিবার ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র জাতীয় পরিষদের বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদীরা যেন কোনও মতে দেশের শান্তি বিঘ্নিত করতে না পারে, তাই নিশ্চিত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার|’

আর মাত্র কয়েকমাস পরই লোকসভা নির্বাচন| আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের রণনীতি-সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার জন্য দিল্লির রামলীলা ময়দানে আয়োজিত হয়েছে দু’দিন ব্যাপী বিজেপির জাতীয় পরিষদের বৈঠক| দু’দিন ব্যাপী ন্যাশনাল কাউন্সিল বৈঠকের অন্তিম দিন, শনিবার রামলীলা ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ| প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ছাড়াও, বিজেপির জাতীয় পরিষদের বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গড়কড়ি, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টার-সহ অন্যান্যরা| এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ভূয়শী প্রশংসা করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, ‘২০১৪ সাল থেকে এযাবত্ বড় ধরনের কোনও জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেনি ভারতে| প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই সরকার একটি বিষয় নিশ্চিত করেছে, তা হল সন্ত্রাসবাদীরা যেন কোনও মতে দেশের শান্তি বিঘ্নিত করতে না পারে|’