
৪৭তম বিএসএফ-বিজিবি ডিজি পর্যায়ের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কে কে শর্মা বলেন, বিগত কয়েক মাসে জাল ভারতীয় মুদ্রার পাচার অনেকাংশে কমে গিয়েছে। জাল নোটগুলির মান ভাল নয় ফলে সহজেই এমন ধরণের নোটগুলিকে চিহ্নিত করা যাচ্ছে। বাংলাদেশের ভূখন্ড ব্যবহার করে এমন ধরণে জাল নোট তৈরি করা হচ্ছে। চলতি বছরে আমরা ১১ লক্ষ জাল নোট বাজেয়াপ্ত করেছি। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে কে কে শর্মা জানিয়েছেন, আমরা জানি প্রচুর পরিমাণে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে জোড়ো হয়েছে। ছোট দলে বিভিক্ত হয়ে তারা ভারতে ঢুকতে চাইছে। আমরা তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করেছি। সম্প্রতি কোনও বড় ধরণের অনুপ্রবেশ এখনও পর্যন্ত হয়নি। ইতিমধ্যে বহু রোহিঙ্গা ভারতে রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় চাপে পড়ে তারা এখন পশ্চিমবঙ্গে এসে আশ্রয় নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রোহিঙ্গারা প্রচুর আশ্রয় শিবির ইতিমধ্যে গড়ে তুলেছে।