কলকাতা, ১৩ আগস্ট (হি.স.): শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে অস্বস্তিতে ছিল সিপিএম। তাঁকে দলে ফিরিয়ে
নেওয়ার প্রস্তাবকে আমল দেননি অভিমানী নেতা ও তাঁর পরিবারের লোকেরা। সোমনাথ-ঘনিষ্ঠ একাংশের মতে, এটা ছিল দলের ‘পাপস্খলনের চেষ্টামাত্র’। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, প্রয়াত হরকিষণ সিং সুরজিৎ প্রমুখ দলের শীর্ষনেতাদের আস্থাভাজন ছিলেন সোমনাথবাবু। আইনজীবী হিসাবে জাতীয় পর্যায়ে ছিল তাঁর বিশেষ পরিচিতি। কয়েক বছর আগে তাঁকে ল থেকে নীতিগত কারণে বহিষ্কারের সময়েই দলে মতানৈক্য ছিল।
ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নৃপেন চক্রবর্তীকেও সিপিএম বহিষ্কার করেছিল। বিতর্ক উঠেছিল এ নিয়ে। পরে শেষ বয়সে তিনি যখন রোগশয্যায় হাসপাতালে, তাঁকে ফিরিয়ে নিয়েছিল দল। সে ভাবেই সোমনাথবাবুকে ফিরিয়ে মুখরক্ষা করতে চেয়েছিল সিপিএম। রবিবার দলের একাংশের দাবি ওঠে, অবিলম্বে তাঁকে ফিরিয়ে নেওয়া হোক। দলের পলিটব্যুরো সদস্য তথা বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান এবং সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা বিধানসভার দলীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী এ ব্যাপারে সরব হন। কিন্তু সোমনাথবাবু ও তাঁর পরিবার দলকে সেই সুযোগ দেয়নি।
সোমবার সকাল সওয়া আটটায় প্রয়াত হয়েছেন লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। শ্বাসকষ্ট ও কিডনির সমস্যা নিয়ে ক‘দিন আগে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এর মাঝেই তিনি আক্রান্ত হন হৃদরোগে। বসাতে হয় পেসমেকার।

