গাছ লাগানোর সাথে সাথে তা রক্ষাও করাত হবে ঃ মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, কমলপুর, ৩০ জুলাই ৷৷ রাজ্যে যে ধান উৎপাদিত হয় তা আগামী দিনে ক্রয় করার জন্য সরকার উদ্যোগ নেবে৷ যাতে এফ সি আই-র মাধ্যমে এই চাল গণবন্টন ব্যবস্থায় সরবরাহ করা যায়৷ তার ফলে রাজ্যের কৃষকদের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে৷ গত ২৮ জুলাই কমলপুরের নজরুল ভবনে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত কৃষি কল্যাণ কর্মশালা ও বনমহোৎসব অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে একথাগুলো বলেন খাদ্য ও জনসংভরণ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকান্তি দেব৷ বনমহোৎসব প্রসঙ্গে শ্রীদেব বলেন, রাজ্যে কিছু কাঠ চোরা কারবারিরা নির্বিচারে বন ধবংস করছে৷ বন ধবংস হলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হবে৷ এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে গাছ লাগানোর সাথে সাথে তা রক্ষাও করতে হবে৷ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক আশিস দাস বলেন, রাজ্য সরকারের প্রতিটি দপ্তর সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক মান উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে৷ তবে সাধারণ মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে৷ অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মহকুমা মৎস্য তত্বাবধায়ক মানিককৃষ্ণ নাথ, মৎস্য আধিকারিক রত্নদ্বীপ সাহা, কৃষি আধিকারিক সত্যরঞ্জন দে৷ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুর্গাচৌমুহনী কৃষি মহকুমার কৃষি তত্বাবধায়ক পার্থপ্রতীম রায়৷ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রশান্ত সিনহা৷
এই অনুষ্ঠানে কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের ১১টি ওয়ার্ডের ৫০ টি পরিবারকে ২টি করে আম্রপালির চারা দেওয়া হয়৷ ৬টি পাম্প সেট ভর্তুকিতে দেওয়া হয়৷ মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে তপশিলী জাতি কল্যাণ প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্গাচৌমুহনী ব্লকের ২০৫ জনকে কনি জাল বিতরণ করা হয়েছে৷ অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় কমলেশ্বরী কালীবাড়ী প্রাঙ্গণে অতিথিরা আম্রপালির চারাও রোপণ করেন৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *