অবৈধ সম্পর্কের জেরে প্রেমিকের সাথে বিষপান দুই সন্তানের জননীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, সাব্রুম, ১৫ নভেম্বর৷৷ পরকীয়ার পরিণতিতে আত্মহত্যার চেষ্টা৷ ঘটনা সাব্রুম মহকুমায় মনুজাবার থানার অধিনে পূর্ব হরিনা গ্রামে৷ স্থানীয় পঞ্চায়েতের বাসীন্দা মাখন দাসের স্ত্রী শংকরী দাস, গরিকা এডিসি ভিলের বাসীন্দা সুরেশ কর্মকারের এক মাত্র গুনধর পুত্র বাসু কর্মকার এবং ঐ গ্রামের এই আরেক ছেলে বিপুল দাসের সাথে একই সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ সম্পর্কে মেতে উঠেন শংকরী৷ স্বামী মাখন দাসের অবর্তমানে প্রায় সময় বাসু কর্মকার ও বিপুল দাস মাখন দাসের বাড়ীতে এসে সহবাসে লিপ্ত হতো বলে অভিযোগ৷ মাখন দাস সরকারী রাবার বাগানে চাকুরী করতো৷ প্রতিরাতে রাবার বাগানের নাইট গার্ডের কাজে চলে যায়৷ এই সুযোগ নিয়ে শংকরী এই দুই জনের সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত থাকতো৷ গ্রামের লোকজনরা কিছুদিন আগে শংকরীর স্বামী মাখন দাসকে এই ঘটনাটি খুলে বলেন৷ এই কথা শুনতে পেয়ে স্বামী মাখন দাস প্রতিদিনের ন্যায় রাতে সরকারী রাবার বাগানে না গিয়ে গ্রামের লোকজনদের নিয়ে এসে এর নিজ ঘরে বিছানা থেকে বাসু কর্মকার ও বিপুল দাসকে হাতে নাতে ধরে মনুবাজার থানার পুলিশকে খাবর দে৷ কিন্তু, মনুবাজার থানার পুলিশ আসার আগেই শংকরী বাসু কর্মকারকে নিয়ে রাতেই পালিয়ে নিয়ে পূর্ব হরিনা পঞ্চায়েতের প্রধানের বাড়ীতে আশ্রয় নেয়৷ কিছুক্ষণ পরে তারা আবার পালিয়ে যায়৷ বুধবার ৭ টায় বাসু কর্মকার ও শংকরীকে হরিনার ৬২ কার্ড এলাকায় একটি রাবার বাগানে বিষ খেতে দেখতে পেয়ে সাথে সাথে গ্রামের লোকজনরা মনুবাজার গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে আসেন৷ হাসপাতালেরর কর্মরত চিকিৎসক বাসু কর্মকারে অবস্থা বেগতিক দেখে সাথে সাথে উদয়পুর গোমতী জেলা হাসপাতালে রেফার করে দেন৷ জানা গিয়েছে বাসু কর্মকার অটো চালক৷ মাখন দাসের স্ত্রী শংকরী দাসের  দুই ছেলেও রয়েছে৷ এই ঘটনা নিয়ে পুরো এলাকায় সাধারণ মানুষ হতবাক৷ সামাজিক অবক্ষয়কে দায়ী করছেন সমাজ সচেতক মহল৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷