ধৃত ডাকাতের স্বীকারোক্তিতে লুট হওয়া মালপত্র উদ্ধার বিশালগড়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিশালগড়, ১৮ এপ্রিল৷৷ ঘনিয়ামারার লুটপাটের ৬ লক্ষ টাকার কাপড়ের বান্ডিল উদ্ধার হল অক্ষয়নাথ

লুট হওয়া মালপত্র মঙ্গলবার উদ্ধার করেছে বিশালগড় থানার পুলিশ৷ ছবি নিজস্ব৷

চৌমুহনীতে৷ খবরে জানা যায় আজ বিকাল ৩ টায় গোপন খবরের ভিত্তিতে বিশালগড়ের  এসডিপিও প্রবীর পাল, থানার সেকেন্ড অফিসার সত্যজিৎ মল্লিক ও মামলার তদন্তকারী অফিসার আশুতোষ শর্মা অক্ষয়নাথ চৌমুহনীর হুমায়ন মিঞার বন্ধ দোকান থেকে কাপড়ের ২৫টি কার্টনের মধ্যে ১৮টি কার্টন পাওয়া যায়৷ বাকি ৭টি কার্টন পাওয়া যায়নি৷  হুমায়ন মিঞা কর্মসূত্রে সৌদি আরবে থাকেন৷ তার নামে এখনও এলর্টম্যান রয়েছে ঐ দোকানটি৷ ডাকাতের দল লুটপাট করে কাপড়ের কার্টন গুলি ওই দোকানে রেখেছিল৷ পুলিশ জানায় দোকানের শার্টারে তালা লাগানো ছিল৷ শার্টার কেটে মালগুলি উদ্ধার করা হয়৷ দোকান মালিক হুমায়ন মিঞার ছোট ভাই উজ্জ্বল হোসেন ডাকাত দলের সদস্য৷ তার নেতৃত্বে ভাইয়ের দোকানে কার্টনগুলি মজুত করা হয়৷ উল্লেখ্য যে ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনামুড়ার গিরজে মিঞা, রাসেল মিঞা ও লিটন মিঞা আগরতলা জয়মাতা টেক্সটাইল থেকে ৬ লক্ষ টাকার কাপড় কিনে বুলেরো গাড়ি করে বাড়ি ফিরছিলেন৷ বিশালগড় ঘনিয়ামারায় আসতেই ডাকাত দল গাড়ি আটকিয়ে ব্যবসায়ীদের মারধর করে ২৫টি কাটুর্ন ও নগদ ৫২ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয়৷ বিশালগড় থানার পুলিশ এসে সহিদ মিঞাকে গ্রেপ্তার করে৷ মামলা নম্বর ২০/১৭৷ বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে৷ তার তথ্য  মূলেই কাপড়ের কার্টর্নগুলি উদ্ধার করা হয়েছে৷ পুলিশ জানায়, ডাকাত দলটির অন্যদের নাম তাদের হাতে রয়েছে৷ তদন্ত সাপেক্ষে নামগুলি প্রকাশ করেনি৷ এই দলটির বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়৷ এলাকাবাসীর সূত্রে খবর এই ডাকাত দলটি এলাকার বহু চুরি, ডাকাতি ও লুটপাটের সাথে জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়৷ ডাকাত দলের সদস্য উজ্জ্বল হোসেন গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন৷ তাছাড়া বিশালগড় পচা পায়েস কান্ডের মূুল আসামিও ছিলেন এবং কিছু দিন জেলও খেটে এসেছেন৷ এবার দেখার বিষয় পুলিশ উজ্জ্বল হোসেন ও তার বাহিনীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় কিনা৷