নিজস্ব প্রতিনিধি, বিশালগড়, ১ এপ্রিল৷৷ সুপ্রিম কোর্টে চাকুরী বাতিলের নির্দেশে সিলমোহর দেওয়ার পর ১০ হাজার ৩২৩ জন শিক্ষকের মধ্যে বড় অংশই সুকলমুখী হতে চায় না৷ সারা রাজ্যের সাথে বিশালগড় মহকুমাতেও এই চিত্র ধরা পড়েছে৷ খবরে জানা যায়, বিশালগড় মহকুমারের বিভিন্ন প্রাথমিক, সিনিয়র বেসিক এবং উচ্চতর বিদ্যালয়ে চাকুরীতে শিক্ষকদের সংখ্যাই বেশি৷ এদের মধ্যে অনেকে টাকা খরচ করে গাড়ি ভাড়া দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে রাজি নয়৷ অনেকে মানসিক ভাবে এতই হতাশাগ্রস্থ যে ঘর থেকে বেরোতে চান না৷ এমনকি পরিবারের বয়োজ্যাষ্ঠ ও ছেলেরা মেয়েরা, মা বাবা কে সুকলে যেতে দেয় না৷ যদি কোন অঘটন ঘটে যায়৷ মহকুমার বিভিন্ন সুকলে শিক্ষক স্বল্পতাই পড়াশুনা লাঠে উঠেছে বলে জানা যায়৷ গজারিয়া, ভদ্রাবতী, ঘনিয়ামারা, রতননগর, বাইদ্যারদিঘি, নবীনগর, চন্দ্রনগর, গোপীনগর, প্রভৃতি সুকলে শিক্ষক স্বল্পতার জন্য নাম ডাকার পর কিংবা প্রথম ঘন্টার পর সুকল ছুটি হয়ে যায়৷ ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা৷ তাছাড়া যে সমস্ত শিক্ষক বিদ্যালয়ে যায় তারা কলিকদের সাথে খোলামেলা ভাবে না বসে হতাশায় ডুবে থাকে বলে জানা যায়৷ অনেক চাকুরিচ্যুত শিক্ষক সুকলে গিয়েও পাঁচ দশ মিনিট পর বেরিয়ে আসে৷ প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকা এই পরিস্থিতিতে কিছু বলতে চায়না বলে জানা যায়৷ তাছাড়া অনেক শিক্ষক নতুন বাড়ি তৈরি করার জন্য, ছেলে বা মেয়ের বিয়ের জন্য, কিংবা গাড়ি কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছে৷ এই লোন কিভাবে পারিশোধ করবে সেই ভাবনায় হতাশা গ্রস্থ হয়ে পরেছে চাকুরিচ্যুত শিক্ষকরা৷ ফলে বাধ্য হয়ে পরিবারের সাথে সময় কাটানোটাই পছন্দ করে বলে জানা যায়৷ অভিভাবক মহলের মতে, সরকার যেভাবেই হোক সুকলের কর্মসংসৃকতিক ফেরানো উচিত নইলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে৷
2017-04-02

