নিজস্ব প্রতিনিধি, বক্সনগর, ৩১ মার্চ৷৷ সন্ধ্যরাতে সশস্ত্র জঙ্গীদের আনাগোনা ঘিরে কলমচৌড়া এলাকায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে৷ দশ বারো জনের ঐ জঙ্গী দলটির সন্ধ্যানে বিএসএফ এবং পুলিশ যৌথভাবে চিরুনী তল্লাসী চালিয়ে যাচ্ছে৷ রাতে খবর লেখা পর্যন্ত ঐ জঙ্গীদলের হদিশ পায়নি নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা৷ পুলিশের একটি সূত্র অবশ্য দাবি করছে এটি একটি গুজব৷ তারপরও পুলিশ তল্লাসী চালিয়ে যাচ্ছে৷
সংবাদে প্রকাশ, সোনামুড়া থেকে ক্রুইজার গাড়ি নিয়ে আসছিলেন চালক মামুন মিয়া৷ কলমচৌড়া থানার অধীন গলাচিপা এলাকায় পৌঁছতেই দশ বারো জনের একটি সশস্ত্র জঙ্গীদল গাড়ি থামানোর জন্য হাত দেখায়৷ কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে চলে আসেন৷ মামুন মিয়া দ্রুত ছুটে যান দক্ষিণ কলমচৌড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রবীর পালের বাড়িতে৷ গোটা ঘটনা খুলে বলেন মামুন৷ তিনি জানিয়েছেন, সশস্ত্র জঙ্গীরা সংখ্যায় দশ বরো জন হবে৷ তাদের হাতে আগ্ণেয়াস্ত্র ছিল৷ তবে সবার হাতে এক ধরনের আগ্ণেয়াস্ত্র ছিল না৷ তাদের পোশাক সবার একরকম নয়৷ মাথায় টুপি কিংবা বেইস কেপও ছিল না অনেকরই৷ ভীতসন্ত্রস্ত মামুন মিয়ার কাছ থেকে এই কথা শুনে প্রধান প্রবীর রায় সঙ্গে সঙ্গেই কলমচৌড়া থানায় বিষয়টি জানান৷ পুলিশ কলমচৌড়াস্থিত বিএসএফের কোম্পানী কমান্ডেন্টকে জানানো হয়েছে৷ খবর পেয়ে বিশাল সংখ্যায় পুলিশ, টিএসআর এবং বিএসএফ জওয়ানরা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়৷ চালানো হয় চিরুনী তল্লাসী৷ এদিকে, বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গীরা পালিয়ে এসেছে৷ কেন তারা এসেছে এনিয়ে চলছে আলোচনা৷ আশঙ্কা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই ঐ জঙ্গীরা আত্মসমর্পণ করতে পারে৷ তবে কারণ যাই হোক জঙ্গীদের আনাগোনা ঘিরে নতুন করে আতঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে সীমান্ত এলাকা কলমচৌড়ায়৷ স্থানীয়দের দাবি বাংলাদেশের সিলেট জেলায় জঙ্গীদের বিরুদ্ধে সেই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী জোরদার অভিযান শুরু করেছে৷
2017-04-01

