নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ৭ ডিসেম্বর৷৷ বুধবার বিকেলে কে কে নগর এলাকা থেকে গোপন খবরের ভিত্তিতে বিশালগড় থানার পুলিশ প্রতিমা খুনের কান্ডে জড়িত বাড়ির মালিক মৃদুল দেবর্বমাকে গ্রেপ্তার করে৷ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অমরজিৎ দেববর্মা, পুলিশ আধিকারিক প্রবীর পাল মহিলা থানার ওসি স্বস্তী দাস আচমকা হানা দিয়ে খুনের সাথে যুক্ত আছে মনে করে বাড়ির মালিক মৃদুল দেববর্মাকে গ্রেপ্তার করে৷ বুধবার প্রতিমার পচাগলা মৃতদেহের সৎকার করা হয় আগরতলা মহাশ্মশানে৷ বুধবার সন্ধ্যায় বিশালগড় থানায় প্রতিমা খুনের দায়ে বাড়ির মালিক মৃদুল দেববর্মা ও রামাপ্রসাদ দেববর্মার নামে খুনের মামলা করা হয়৷ গত আটদিন ধরে প্রতিমার পরিবারকে চাল, ডাল এবং দুবেলা খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে এলাকার হৃদয়বান লোকজনরা৷ বুধবার বিকালে যখন প্রতিমার লাশ সৎকার করা হচ্ছে অন্যদিকে রতননগর বর্মণ পাড়ার লোকজন প্রায় ৬০-৭০ জন মহিলা পুরুষ মিলে বিশালগড়ে এসডিএম নান্টু রঞ্জন দাসের কাছে দ্বারস্থ হন৷ এসডিএম নান্টু রঞ্জন দাস এলাকায় এই পরিবারটির করুণ পরিণতি লক্ষ্য করে আজ নিজের পকেট থেকে ৫০০০ টাকা তুলে দেন প্রতিমার পরিবারের হাতে৷ নান্টু রঞ্জন দাসের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গী দেখে অবাক হয়ে যান এলাকাবাসী৷
তাছাড়া এই ঘটনায় তদন্তের জন্য সাতজনের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে৷ তাছাড়া এসডিএমের সহযোগিতায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিবারটির কথা চিন্তা করে সাহায্য করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন৷ প্রতিমার পরিবারের দুজন বিকলাঙ্ক রয়েছে তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়েদেবেন বলে জানান৷ নবম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েটিকে শিশুকল্যাণ প্রকল্প ও অন্যান্য প্রকল্প থেকে কিভাবে সাহায্য করা যায় লক্ষ্য রাখবেন৷ অন্যদিকে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মৃদুল দেববর্মার গ্রেপ্তারে কিছুটা হলেও এলাকায় সাধারণ নাগরিক ও পরিবারটি স্বস্তি অনুভব করছে বলে জানা গেছে৷ অনুমান করা হচ্ছে হয়ত কয়েকজন মিলে গণধর্ষণ করে প্রতিমাকে খুন করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে৷ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মৃদুল গ্রেপ্তার হয়েছে৷ তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানা গেছে৷
2016-12-08