নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ নভেম্বর৷৷ পাকিস্তান সেনা বাহিনীর পোঁতা ল্যান্ড মাইন বিস্ফোরণে জম্মু ও কাশ্মীরের কর্মরত

সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর ত্রিপুরার এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন৷ তাঁর নাম শম্ভু সাতমুড়া৷ বয়স ২৮ বছর৷ তাঁর বাড়ি আগরতলায় সুভাষনগরে৷ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে চারটা নাগাদ এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে৷ ঘটনাস্থলেই শহীদ হন শম্ভু সাতমুড়া৷ বৃহস্পতিবার তাঁর মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হবে৷ পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্য্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে৷ শম্ভু সাতমুড়া দেশের জন্য শহীদের মৃত্যু বরণ করলেও গোটা সুভাষনগর এলাকায় শোকের আবহ৷
সংবাদে প্রকাশ, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলা অচলাবস্থার মধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীর সীমান্তে কর্তব্যরত ছিলেন বিএসএফের ১০৭ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের জওয়ান ত্রিপুরার ছেলে শম্ভু সাতমুড়া৷ অন্যান্য জওয়ানদের সাথে শম্ভুও মঙ্গলবার কর্তব্যরত ছিলেন৷ টহল দেওয়ার সময় হঠাৎ ল্যান্ড মাইনটি বিস্ফোরণ হয়৷ ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে৷ বিকাল সাড়ে চারটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে৷ সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ সুভাষনগরে শম্ভুর বাড়িতে ফোন করে এই দুঃসংবাদ দেন ব্যাটেলিয়ানের সিও সাহেব৷ এই খবর পেয়ে পরিবারের সদস্য সহ প্রতিবেশীদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ে৷ পরে পুলিশের সহায়তা নিয়ে বিএসএফ কতৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ [vsw id=”BSAwkUy2VUI” source=”youtube” width=”425″ height=”344″ autoplay=”yes”]করে পরিবারের লোকজন নিশ্চিত হয়েছেন যে শম্ভু আর নেই৷ এই খবরে গোটা সুভাষনগর শোকগ্রস্ত৷ এলাকারা লোকজন শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে পৌঁছতে থাকেন৷
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শম্ভু সাতমুড়া কিছুদিন আগে বিয়ে করেছেন৷ তিনিই একমাত্র পুত্র সন্তান মা-বাবার৷ আরও দুই বোন রয়েছে৷ ছেলের শহীদের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ মা৷ স্ত্রীর চোখ দিয়ে পড়ছে অশ্রু৷ ভাইয়ের অকালে চলে যাওয়াকে মেনে নিতে পাড়ছেন না বোনরা৷ পাকিস্তানের এই বর্বরোচিত হামলা হুজ্জতির যোগ্য জবাব দেওয়ার দাবী তুলেছেন সুভাষনগরের জনগণ৷আগামীকাল সকালে শম্ভু সাতমুড়ার মৃতদেহ বিএসএফ কর্তৃপক্ষ নিয়ে আসবে নিজ বাড়িতে৷ পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্য্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে৷