নিজস্ব প্রতিনিধি, বক্সনগর, ১১ নভেম্বর ৷৷ বক্সনগর ব্লকের অধীনে কমলনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি অবস্থিত৷ কমলনগর গাঁওসভা, আনন্দপুর গাঁওসবা এডিসি ভিলেজ, বিজয়নগর, ধনীরাম পুর মোট চারটি পঞ্চায়েতের ২৫০০০ লোক পাহাড়ি বাঙালির একমাত্র আরোগ্যের ঠিকানা হল কমলনগর প্রাথমিক হাসপাতাল৷ জোট জামানায় তৎকালীন প্রয়াত স্বাস্থ্য মন্ত্রী কাশীরাম রিয়াং, সাধারণ গরিব মেহনতী মানুষের চিকিৎসা যাতে হ াতের নাগালের মধ্যে থাকে, সে কথাটি ভেবেই ১৯৯০ তে তৈরি করেন কমলনগর প্রাথমিক হাসপাতাল এখানকার গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি নির্ভরশীল৷ বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ৷ অনেক সময় কর্মীর জন্য সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না৷ দুজন ডাক্তার দিয়ে এত বিশাল সংখ্যক রোগীর চিকিৎসা পরিষেবা সম্ভব হচ্ছে না বলে হাসপাতালের ডাক্তারবাবু জানান৷ রোগীদের অভিযোগ একজন ডাক্তারবাবু ছুটিতে বাড়িতে গেলে আর একজন ডাক্তার হাসপাতাল চালাতে হিমশিম খায়৷ প্রায়ই নার্স এবং ডাক্তারবাবুদের খামখেয়ালিপনায় রোগীর পরিষেবা সঠিকভাবে দেয় না বলে রোগীদের থেকে অভিযোগ শোনা যায়৷ হাসপাতালের দরজা, জানালা ভাঙা বিদ্যুয পরিষেবার লাইনগুলির অবস্থা, খুবই খারাপ, রাতের বেলা জেনারেটর চলে না৷ প্রায় সময় জলের আকাল সৃষ্টি হয়৷ নোংরা, গন্ধ, সুইপার একজন৷ যার ফলে দমবন্ধকর অবস্থা৷ মেইন দরজার স ামনে ছাগলের আস্তানা, হাসপাতাল চত্বরে গরু ছাগলের বিচরণ ক্ষেত্রের পরিণত৷ আর সন্ধ্যার পর গাড়ি পার্কিং এর জায়গা বানিয়ে রেখেছে গোটা হাসপাতালটিকে৷ ভয়ে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কিছু বলে না৷ দরজা জানালা ভাঙ্গার ফলে বিগত ৫/১০-১৬ইং বুধবারে চুরি হয় ডাক্তারবাবুর রুমে৷ নেই কোন সংস্কারের উদ্যোগ৷ যার কারণে ডাক্তারবাবুরা ভয়ে দিন কাটাচ্ছে৷ হেল দোল নেই রোগী কল্যাণ সমিতির৷ নাইটগার্ড রয়েছে একজন৷ উনাকে দিয়ে জি ডি এর কাজ চালাচ্ছে নার্স ৪ জন৷ কর্মীস্বল্পতার অভাবে হাসপাতালটি ধঁুকছে৷ তবুও এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি স্বাস্থ্য দপ্তরের ঊধর্বতন কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রী মহোদয় যাতে হাসপাতালটির দিকে গুরুত্ব শীঘ্রই দেন, কথায় বলে স্বাস্থ্য ভাল যার সব ভাল তার৷
2016-11-12