নয়াদিল্লি, ৪ নভেম্বর৷৷ পণ্য পরিষেবা করের স্তর নির্ধারিত হলেও এই পদ্ধতি চালু করার ক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতানৈক্য দেখা দিয়েছে৷ চারটি স্তরে সংগ্রহ করা হবে পণ্য পরিষেবা কর৷ এনিয়ে রাজ্যগুলি সম্মত৷ কিন্তু এই কর ব্যবস্থায় দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ঐক্যমত্যে আসা সম্ভব হয়নি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে৷ এছাড়াও ক্ষমতা নিয়ে চাপানোউতর বহাল রয়েছে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে৷ ফলে, জিএসটি কাউন্সিলের আজকের বৈঠক কার্যত নিষ্ফলা রয়েছে৷ তাই, আগামী ২০ নভেম্বর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি রাজ্যগুলির অর্থমন্ত্রীদের সাথে রাজ্যের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নিয়ে বৈঠক করবেন৷ ঐ বৈঠকের নির্যাস নিয়ে আগামী ২৪ ও ২৫ নভেম্বর ফের জিএসটি কাউন্সিলে আলোচনা হবে৷
শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জানিয়েছেন, নতুন এই পণ্য পরিষেবা করের পদ্ধতি নিয়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ সুরাহা বেরিয়েছে৷ কিন্তু সামান্য জটিলতা রয়ে গেছে৷ তাই নতুন এই পদ্ধতি চালু করার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করা হবে না বলে জানিয়েছেন জেটলি৷ এদিন তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের ক্ষমতা নির্ধারণই এখন মুখ্য ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ আজকের বৈঠকে এ সংক্রান্ত নানা প্রস্তাব এসেছে৷ রাজ্যগুলি তাদের প্রস্তাব কাউন্সিলের বৈঠকে তুলে ধরেছে৷ সূত্র অনুসারে জানা গেছে, রাজ্যগুলি কি হারে কর সংগ্রহ করছে তার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য কেন্দ্রের কাছে নেই৷ এই ধরনের কোন তালিকাও তৈরি করা হয়নি৷ যার কারণে জিএসটি চালু হলে রাজ্যগুলি যে আর্থিক ক্ষতি হবে তার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ কিভাবে হবে সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে কোন দিশা দেখানো যায়নি কাউন্সিলের বৈঠকে৷ সূত্রের দাবি, দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ নিয়েই কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মতানৈক্য চরম আকার ধারণ করেছে৷
জানা গেছে, রাজ্যগুলির কর সংগ্রহের তালিকা আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে তৈরি করবে অর্থমন্ত্রক৷ রাজ্যগুলিকেও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে তাতে কোন পরিবর্তন প্রয়োজন রয়েছে কিনা সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য৷ এই সমস্ত কারণে আগামী ৯ ও ১০ নভেম্বর জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক বাতিল করা হয়েছে৷
2016-11-05