নিজস্ব প্রতিনিধি, খোয়াই, ২০ মার্চ৷৷ খোয়াই সাব রেজিস্ট্রার কার্য্যালয়ে বাঁশের চেয়ে কঞ্চির বড্ড আস্ফালনে অতিষ্ট দলিল লেখকরা৷ দীর্ঘ দিন ধরেই খোয়াই সাব রেজিস্টার কার্য্যালয়ে পর্যাপ্ত কর্মী না থাকতে চুক্তি ভিত্তিক কিছু কর্মী দিয়ে দপ্তরের কাজ চালানো হচ্ছে৷ অভিযোগ উঠছে সাব রেজিস্টার তথা ডি সি এম অভিজিৎ বিশ্বাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা এক

মহিলা দিদিমনি চুক্তি ভিত্তিক অস্থায়ী কর্মচারী হয়ে প্রায় দিনই দলিল রেজিস্ট্রারের ক্ষেত্রে মারাত্মক ধরণের দুর্ব্যবহার করছেন দলিল লেখকদের সঙ্গে৷ আর তাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষকে একটি কাজের জন্য বার বার গাটের পয়সা খরচ করে ছুটে আসতে হচ্ছে যার রেজিস্ট্রার অফিসে৷ অভিযোগে জানা যায়, গত ১৯ শে মার্চ শনিবার জনৈক দলিল লেখক দলিল রেজিস্ট্রার করার জন্য অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র জমা দিতে গেলে ঐ মহিলা দিদিমনি মিতালী ঘোষ কাগজপত্র জমা রাখেন নি৷ ওনার বক্তব্য শনিবার বেলা বারটার পর দলিল জমা রাখা হয় না৷ যার রেজিস্ট্রার তথা ডি সি এম শনিবারে বাড়ী যান৷ তাই বারটার পর রেজিস্ট্রারের জন্য দলিল জমা বন্ধ৷ অভিযোগে উঠছে খোয়াই সাব রেজিস্টার অফিসে ঐ দিদিমনি বেলা এগারটার আগে কার্য্যালয়ে আসেন না৷ আর সেদিন আসেন সেই দিন দুপুর একটায় টিফিনে চলে যান৷ টিফিনের পর কার্য্যালয়ে আসা না আসা ওনার মজি জানা যায়৷ ঐ সাব রেজিস্ট্রারে নিয়মিত কর্মচারী আছেন একজন তিনি হেড-ক্লার্ক৷ এ ছাড়া কয়েকজন আছেন এস ডি এমের কর্মী৷ দলিল রেজিস্টারের প্রাথমিক কাজ কর্মগুলি ঐ দিদিমনিই করে থাকেন৷ স্বাভাবিক ভাবেই দলিল লেখকরা ভূমি ক্রয় ও বিক্রয়ের উভয়কেই দলিল রেজিস্টারের সময় সাব রেজিস্টারের কার্য্যালয়ে নিয়ে আসেন৷ মিতালী দিদিমনির মর্জি মাফিক কাজকর্ম ও অবেধ হুকুম জারীতে প্রায় দিনই সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে৷ এই ধরনের অভিযোগ ইতিপূর্বেও সাব রেজিস্ট্রার সাহেবের কানে দেওয়া হলে তিনি ঐ দিদিমনির বিরুদ্ধে টু শব্দও উচ্চারণ করেন না৷ কারন শনিবারে অবৈধ কাজ করেই ওনাকে ছুটতে হবে বাড়ীর দিকে৷ অফিসারদের এই ধরনের মর্জি নিয়ে সর্বদাই নীরব থাকছেন উচ্চ আধিকারিকরা৷