কোভিড কেয়ার সেন্টারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ফেইসবুক লাইভে গর্ভবতী মহিলার আর্তনাদ

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ আগষ্ট৷৷ করোনা মোকাবিলায় করুণ চিত্র আক্রান্তের ক্যামেরায় ফঁুটে উঠেছে৷ চরম অব্যবস্থা ফেইসবুক লাইভে তুলে ধরেছেন জনৈকা গর্ভবতী মহিলা৷ করোনা আক্রান্ত ৭ মাসের অন্তঃসত্বা ওই মহিলা ভগসিং যুব আবাস কোভিড কেয়ার সেন্টারের নোংরা পরিবেশের চিত্র তুলে ধরেছেন৷ তিনি ওই অব্যবস্থায় নিজেকে চরম অসুরক্ষিত বলে মনে করছেন৷ বিশেষ করে গর্ভস্থ সন্তানের জন্য তিনি চিন্তায় রীতিমত কান্নায় ভেঙে পড়েছেন৷ প্রশাসনের কাছে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কোভিড কেয়ার সেন্টারের দাবি জানিয়েছেন৷ ওই মহিলার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে স্বাস্থ্য দপ্তরের জনৈক পদস্থ আধিকারিক বলেন, সাফাই কর্মীদের দায়িত্ব এড়ানো উচিত নয়৷ তবে, তারাও ওই ভাইরাসের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন৷


শুক্রবার এক গর্ভবতী মহিলা অসুস্থ অনুভব করায় তাকে আইজিএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল৷ ভর্তি করার সময় তার করোনা পরীক্ষা করেছিল৷ তাতে তার কোভিড-১৯ রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে৷ তাই তাকে ভগৎ সিং যুব আবাস কোভিড কেয়ার ভর্তির জন্য পাঠানো হয়েছিল৷ আজ ফেইসবুক লাইভে ওই গর্ভবতি মহিলা অভিযোগ করেন, গতকাল অসুস্থতা সত্বেও তাকে ৪ ঘন্টা কোভিড কেয়ার সেন্টারের বাইরে ্যম্বুলেন্সে কাটাতে হয়েছে৷ আজ তিনি বলেন, ভগৎ সিং কোভিড কেয়ার সেন্টারের অবস্থা নরক গুলজারে পরিণত হয়েছে৷ তিনি ওই সেন্টারের বিভিন্ন অংশ ক্যামেরা বন্দি করে বলেন, করোনা আক্রান্তদের এই নোংরা পরিবেশে থাকতে হচ্ছে৷


এদিন তিনি কোভিড কেয়ার সেন্টারের নোংরা পরিবেশের কারণে নিজেকে চরম অসুরক্ষিত বলে মনে করছেন৷ সাত মাসের অন্তঃসত্বা মহিলার এমন পরিবেশে থাকা শুধু কষ্টকর নয় অত্যন্ত ঝঁুকিপূর্ণ বলেও তিনি দাবি করেছেন৷ তার গর্ভস্থ সন্তানের চিন্তায় এদিন তিনি ফেইসবুক লাইভেই কান্নায় ভেঙে পড়েন৷ সমস্ত কিছুর বর্ণনা দিয়ে তিনি প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে কোভিড কেয়ার সেন্টারে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন৷

এবিষয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরের জনৈক পদস্থ আধিকারীক বলেন, ভগৎ সিং কোভিড কেয়ার সেন্টারের ওই অভিযোগ প্রশাসনের নজরে এসেছে৷ শীঘ্রই প্রশাসনিক ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে৷ তিনি বলেন, ওই কোভিড কেয়ার সেন্টার নিয়ে ইতিপূর্বেও একাধিক বার অভিযোগ উঠেছে৷ নোংরা পরিবেশের অভিযোগ সম্পর্কে ওই আধিকারীকের মন্তব্য, সাফাই কর্মীরা দায়িত্ব এড়াতে পারেন না৷ কোভিড কেয়ার সেন্টারের সমস্ত নোংরা আবর্জনা তাদের পরিষ্কার করা উচিত ছিল৷ তবে, আমাদের ভাবতে হবে তারাও করোনার ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন৷