রাজকোষ ঘাটতি সংশোধিত লক্ষ্যের মধ্যেই থাকবে, সারের কোনও অভাব হবে না: নির্মলা সীতারামন

নয়াদিল্লি, ১৩ মার্চ (আইএএনএস): কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে রাজকোষ ঘাটতি সংশোধিত অনুমানের মধ্যেই রাখার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। শুক্রবার লোকসভায় অতিরিক্ত অনুদানের দাবি (দ্বিতীয় দফা) নিয়ে আলোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রস্তাব আনা হলেও তা ২০২৬–২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে নির্ধারিত রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্যের মধ্যেই থাকবে। তিনি বলেন, “প্রযুক্তিগত ও নগদ ভিত্তিতে যে অতিরিক্ত বরাদ্দ আনা হচ্ছে, তাতে সংসদের কোনও সদস্যেরই সন্দেহ থাকার কথা নয় যে বাজেটে নির্ধারিত রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হবে কি না।”

২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে আগামী ৩১ মার্চ ২০২৭-এ শেষ হওয়া অর্থবর্ষের জন্য রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্য জিডিপির ৪.৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষের সংশোধিত অনুমান ৪.৪ শতাংশের চেয়ে কম। এর মাধ্যমে সরকার ধাপে ধাপে রাজকোষ ঘাটতি কমানোর পথে এগোচ্ছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ সংসদে পেশ করা বাজেটে যে রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, অতিরিক্ত অনুদানের দাবির ক্ষেত্রেও সেই সীমার মধ্যেই সব বরাদ্দ রাখা হবে।

অতিরিক্ত অনুদানের এই প্রস্তাবে মোট ২.৮১ লক্ষ কোটি টাকার ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে এবং এতে ৬১টি অনুদানের আবেদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া অর্থমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, কৃষকদের জন্য সারের কোনও ঘাটতি হবে না এবং এ বিষয়ে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মোকাবিলায় সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তহবিল গঠন করেছে, যার জন্য ৫৭,৩৮১.৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

Leave a Reply