নয়াদিল্লি, ১৯ ফেব্রুয়ারি (আইএএনএস): লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বৃহস্পতিবার ছত্রপতি ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ-এর জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। তিনি বলেন, শিবাজি মহারাজ বীরত্ব, দূরদর্শিতা ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ পোস্ট করে রাহুল গান্ধী লেখেন, “বীরত্বের প্রতিমূর্তি ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের জন্মজয়ন্তীতে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি। তিনি বীরত্ব, দূরদর্শিতা ও ন্যায়পরায়ণ নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক।” তিনি আরও বলেন, “তাঁর জীবনদর্শন ও সাহস আজও আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা জোগায়।”
এদিন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-ও শিবাজি মহারাজকে শ্রদ্ধা জানান। তিনি লেখেন, “অসাধারণ সাহস ও বীরত্বের প্রতীক, মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, দক্ষ প্রশাসক এবং ভারতের অনুপ্রেরণা ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা। শিব জয়ন্তীর শুভেচ্ছা জানাই সকলকে।”
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-ও শিবাজি মহারাজের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, দেশ এক দূরদর্শী নেতা, অসামান্য প্রশাসক, কৌশলী চিন্তাবিদ এবং স্বরাজের অগ্রদূতকে প্রণাম জানাচ্ছে। তাঁর জীবন প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
এক্স-এ শেয়ার করা এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ শুধু একটি নাম নন। আমাদের কাছে তিনি পূজ্য দেবতুল্য। তিনি স্বরাজ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং সুশাসনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর জীবন আমাদের নানাভাবে প্রভাবিত করে।”
প্রতি বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ জয়ন্তী পালিত হয়। মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি ইতিহাসে অমর। মুঘল শক্তির বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে সাফল্য অর্জন করে ১৬৭৪ সালে তিনি ‘ছত্রপতি’ উপাধিতে ভূষিত হন।
বিশেষত মহারাষ্ট্রসহ দেশজুড়ে দিনটি গর্ব ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়। এ বছর পালিত হচ্ছে তাঁর ৩৯৫তম জন্মবার্ষিকী। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী ফাল্গুন মাসের তৃতীয় দিনে তাঁর জন্ম হয়েছিল, যদিও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৯ ফেব্রুয়ারিই তাঁর জন্মতারিখ হিসেবে স্বীকৃত।
_____

