আগরতলা, ৩ আগস্ট : আজ, আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার—ভারতবর্ষজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে জাতীয় বন্ধুত্ব দিবস। সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির পাশাপাশি ভারতেও এই দিনটি বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও মজবুত করার দিন হিসেবে পালিত হয়। যদিও জাতিসংঘ নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস প্রতিবছর ৩০শে জুলাই পালিত হয়, ভারতীয় সংস্কৃতিতে আগস্টের প্রথম রবিবারের গুরুত্ব বরাবরই আলাদা।
বন্ধুত্ব দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বহু মনীষী বিভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের কথায়—
“একজন বন্ধু হলো সেই ব্যক্তি, যে তোমাকে তোমার মতো করে জানে, তুমি কোথায় ছিলে তা বোঝে, তুমি যা হয়েছো তা গ্রহণ করে এবং তবুও, আলতো করে তোমাকে বেড়ে উঠতে দেয়।”
অ্যারিস্টটল বলেছেন— “বন্ধু হলো দুটি দেহে বাস করা একটি আত্মা।”
বন্ধুত্বের এই আবেগ ও আন্তরিকতা আজকের দিনে নানাভাবে প্রকাশ পেয়েছে। কোথাও বন্ধুর হাতে রঙিন ব্যান্ড বাঁধা হয়েছে, আবার কোথাও হাতে লেখা প্ল্যাকার্ডে ফুটে উঠেছে বন্ধুত্বের অমলিন বার্তা।
বন্ধুত্ব এমন এক সম্পর্ক, যা রক্তের নয়, তবু হৃদয়ের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ। জীবনের সাফল্য হোক কিংবা ব্যর্থতা, আনন্দ কিংবা দুঃখ—প্রতিটি মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার নামই বন্ধুত্ব। একসাথে বেড়াতে যাওয়া, পড়াশোনার চাপ ভাগ করে নেওয়া কিংবা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পাশে দাঁড়ানো—এই সব কিছুতেই বন্ধুত্বের নিঃস্বার্থ রূপ পরিলক্ষিত হয়।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও বন্ধুত্ব দিবস পালনের চিত্র চোখে পড়ার মতো। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে সামাজিক সংগঠনগুলিও নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তোলে।
বন্ধুত্বের এই উৎসবে আজ ভারতবর্ষ জুড়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে একটি বার্তাই— বন্ধুত্ব থাকুক চিরসবুজ, সম্পর্ক থাকুক অটুট।

