আগরতলা, ২৮ ফেব্রুয়ারী: ২৮ ফেব্রুয়ারী দিনটি নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী স্যার সি ভি রমনের ‘রমন এফেক্ট’ আবিস্কারকে স্মরণ করে ১৯৮৭ সাল থেকে দেশজুড়ে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে। প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও আগরতলার প্যারাডাইস চৌমুহনীতে বরণীয় বিজ্ঞানীদের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, শপথ বাক্য পাঠ, আলোচনা সভা, হাতে কলমে বিজ্ঞান প্রদর্শনী, কুসংস্কার বিরোধী শো টেলিস্কোপ সহযোগে আকাশ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারী দিনটি নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী স্যার সি ভি রমনের ‘রমন এফেক্ট’ আবিস্কারকে স্মরণ করে ১৯৮৭ সাল থেকে দেশজুড়ে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিজ্ঞান শিক্ষা ও মৌলিক জ্ঞানচর্চার প্রতি ছাত্র ছাত্রীদের উৎসাহ বৃদ্ধি ও দেশবাসীর মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্য নিয়ে এই দিনটি উদযাপন শুরু হয়েছিল।
অথচ স্বাধীনতার ৭৫ বছরেরও বেশী সময়কালে দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নতি হলেও দেশের অধিকাংশ মানুষ আজও মধ্যযুগীয় কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও অজ্ঞানতায় ডুবে আছে। একদা নবজাগরণের পুরোধা মনীষী রামমোহন, বিদ্যাসাগর, অক্ষয়কুমার দত্ত, মাহেন্দ্রলাল সরকার প্রমুখেরা যুক্তিবাদের প্রসার ঘটাতে আধুনিক বৈজ্ঞানিক শিক্ষাব্যবস্থা চালুর জন্য লড়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সমাজের মধ্যে যুক্তিবাদ চর্চার যে জমি একদিন তৈরী হয়েছিল, তা আজ উর্বর হওয়ার পরিবর্তে ক্রমশ অনুর্বর হয়ে চলেছে।
সেদিকে লক্ষ্য রেখে সকলকে কুসংস্কার দূর করে বিজ্ঞান মানসিকতায় চলার আহ্বান রেখে ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটি প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও বিজ্ঞান দিবস পালন করে। আজ সকালে আগরতলার প্যারাডাইস চৌমুহনীতে বরণীয় বিজ্ঞানীদের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, শপথ বাক্য পাঠ, আলোচনা সভা, হাতে কলমে বিজ্ঞান প্রদর্শনী, কুসংস্কার বিরোধী শো টেলিস্কোপ সহযোগে আকাশ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কর্মসূচী গ্রহণ পালন করে।