কলমচৌড়ায় গাঁজা গাছ ধংস করল প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিনিধি, বক্সনগর, ১৮ নভেম্বর৷৷ ভারত সরকার নোট বাতিল ঘোষণা করায় বিপাকে পড়েছে দেশের এক শ্রেণীর

কলমচৌড়ায় গাঁজা গাছ ধংস করল প্রশাসন৷ ছবি নিজস্ব৷
কলমচৌড়ায় গাঁজা গাছ ধংস করল প্রশাসন৷ ছবি নিজস্ব৷

কালো বাজারী প্রভাবশালী ব্যক্তিরা৷ কালো টাকা রোধ করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যখন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, ঠিক সে সময়টাকে কাজে লাগিয়ে সিপাহিজলা জেলার শীর্ষ প্রশাসনের উচচপদস্থ আধিকারিকগণ ওঠে পড়ে লেগেছে গাঁজা বিরোধী অভিযানে৷ গাঁজা অবৈধ এই চাষ করে সাধারণ মানুষের হাতেও লক্ষ লক্ষ টাকা আসছে৷ যার ফলে বর্তমান সমাজে বাড়ছে  অপরাধ, কুকর্ম, জোয়া, নেশা, নারী নির্যাতন, খুন ইত্যাদি অনৈতিক কার্যকলাপ৷  টাকার লোভে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে বনের বিলুপ্ত করে বিস্তীর্ণ জাগায় দখল করে গাঁজা চাষের মৃগয়া ক্ষেত্রে পরিণত করেছে চাষীরা৷ যার পরিণাম ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে৷ আজ সকাল ১০টায় সিপাহিজলা জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক তথা মানিকলাল দাস  এবং সোনামুড়া মহকুমাশাসক সুমিত লোধ, পুলিশ আধিকারিক প্রদীপ চক্রবর্তী সঙ্গে ১৫৮ নং বিএসএফ ব্যাটেলিয়ান এর উচ্চ আধিকারিক উনারা পুলিশ টিএসআর বিএসএফ, জওয়ান ফরেস্ট পেট্রোল  এবং গাঁজা কাটিং করার জন্য প্রায় ৫০ জন লোক নিয়ে দক্ষিণ কলমচৌরার মুলীবন, ঐক্কামুড়া ও ঘাঁটি ঘরের বিস্তীর্ণ  এলাকায় লক্ষাধিক গাঁজা গাছ কেটে ধবংস করেছেন৷ প্রশাসনের একজন শীর্ষকর্তা  বলেন এই অবৈধ গাঁজা ছেলে মেয়ের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে, শিক্ষা ধবংসের মুখে সমাজ নষ্টের একমাত্র চাবিকাঠি হল অবৈধ টাকা৷ আর কালো টাকা হলেই অঘটন করতেও দ্বিধাবোধ করে না৷ হানাহানি ও ঝগড়ার সৃষ্টি  অবৈধ টাকা৷ যার কারণে সমাজ পেছনে পড়ছে,  বাড়ছে হিংসা, সংসারে অশান্তি৷ অনেক গাঁজা চাষীরা বুক ফাটা আর্তনাদ মহিলা ও বেকার যুবকের চিৎকারে আকাশ বাতাস ভারী হচ্ছে৷ দুঃখ আর কান্নায় অনেক চাষী বেহুস ও অজ্ঞান হয়ে পড়েছে৷  গরিব অসহায় চাষীর মুখ থেকে জানা যায়৷ কেন প্রশাসন পূর্বে  ঘোষণা করেনি যে গাঁজা চাষ করা নিষেধ৷ টেলিভিশনে বা পত্রিকাতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সচেতন করেনি৷ এখন স্বর্ণ, গয়না, বন্ধক ও বন্ধক থেকে কিস্তিতে টাকা নিয়ে চাষ করেছি৷ আমাদের বাঁচার রাস্তা বন্ধ করে দিল প্রশাসন৷  প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আগামীদিনেও গাঁজা  বিরোধী অভিযান জারী থাকবে একমাত্র কালো টাকা রোধ করার জন্যই কঠোর সিদ্ধান্ত৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *