News Flash

  • Home
  • ত্রিপুরা
  • প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের উপস্থিতিতে সম্পন্ন ত্রিপুরা রাজ্য মৎজীবী ইউনিয়নের পর্যালোচনা সভা 
Image

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের উপস্থিতিতে সম্পন্ন ত্রিপুরা রাজ্য মৎজীবী ইউনিয়নের পর্যালোচনা সভা 

আগরতলা, ২৭ অক্টোবর : আজ সকাল ১১ টায় আগরতলায় কৃষক ভবনে ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়নের সাংগঠনিক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের হাত ধরে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়েছে।

আজ ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়নের সম্মেলন মধ্যবর্তী সাংগঠনিক পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। এছাড়াও প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সারা ভারত মৎস্যজীবী ও মৎস্য শ্রমিক ফেডারেশনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পিল্লু বিলা স্ট্যানলি এবং সর্বভারতীয় কমিটির সহ-সভাপতি ত্রিপুরা তফসিলি জাতি সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুধন দাস। পাশাপাশি মৎস্যজীবী ইউনিয়ন এবং পলিট ব্যুরোর সদস্যরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপশি দেশ তথা রাজ্যের রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেন অনুষ্ঠানের বক্তারা।

এগুলো সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বর্তমান সরকারের তীব্র নিন্দা করেন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নাজেহাল অবস্থা। ২০ থেকে ২৫ বছর পর এ ধরনের শারদ উৎসব এসেছে যেখানে সাধারণ মানুষের হাতে টাকা পয়সা নিয়ে। শারদ উৎসবে আনন্দ করছে মন্ত্রী বিধায়কেরা। কিন্তু সাধারণ মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে না। কাজ খাদ্যের অভাবে দিশেহারা বেকার সমাজ। যুবক-যুবতীরা শিক্ষিত হয়ে ডিগ্রি নিয়ে বসে আছে। কিন্তু রাজ্যে কোন চাকরির ব্যবস্থা নেই। কাজ খাদ্য এবং গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে সাধারণ নাগরিক এগিয়ে আসার আহ্বান জানাতে।

এদিনের সভার শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হন প্রাক্তন বিধায়ক সুধন দাস। তিনি বলেন সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। এত বড় বন্যা পরিস্থিতি কেটে গেল মৎস্য চাষীদের জন্য এক টাকাও বরাদ্দ করেনি সরকার। এছাড়াও এদিনের সভায় আলোচিত মৎস্য চাষীদের স্বার্থে বিভিন্ন দাবি সনদ তুলে ধরেন তিনি।

দাবি গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য,  সরকারি এবং অর্ধ সরকারি জলাশয় গুলি সহজ শর্তে বিনা টেন্ডারে মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিগুলির নিকট লীজ দিতে হবে। মৎজীবী সমবায় সমিতি গুলি কে মাছ উৎপাদনের জন্য আর্থিক অনুদানের ব্যবস্থা করতে হবে। সমিতির ম্যানেজারের বেতন ন্যূনতম 18 হাজার টাকা করতে হবে এবং নিয়মিত নির্বাচন করতে হবে।

যারা দল হিসেবে অন্যের পুকুর বা জলাশয়ের মাছ ধরে তাদের বেড় জালের ব্যবস্থা করতে হবে। মধ্যযুবীদের ধরা মাছের বিক্রয় মূল্যের ২৫ শতাংশ অথবা জন প্রতি ছয়শ টাকা মজুরি দিতে হবে। সরকারি উদ্যোগে মৎস্যজীবীদের জন্য জীবন বীমা চালু করতে হবে।

গৃহহীন সমস্ত মৎস্যজীবী পরিবারকে পাকা গৃহ নির্মাণ ও শৌচালয় নির্মাণ করে দিতে হবে। গৃহ নির্মাণের জন্য অর্থ মূল্য ৫ লক্ষ টাকা করতে হবে ইত্যাদি।

Releated Posts

আগরতলায় মহিলাদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর: মহিলাদের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়ার…

ByByReshmi Debnath Sep 15, 2026

প্রতিদিন অন্তত ৫টি বাড়িতে জনসম্পর্ক করবেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব

আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর: সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ আরও বাড়াতে প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি বাড়িতে জনসম্পর্ক করার উদ্যোগ নিয়েছেন সাংসদ…

ByByReshmi Debnath Sep 15, 2026

অনঙ্গমোহিনী গার্লস হোস্টেলে ছাত্রী ছাদ থেকে পড়ে  আহত, নিরাপত্তা নিয়ে মহিলা কংগ্রেসের প্রশ্ন

আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর: আগরতলার সুপারি বাগানস্থিত অনঙ্গমোহিনী গার্লস হোস্টেলের তিনতলা ছাদ থেকে পড়ে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী আহত হওয়ার…

ByByReshmi Debnath Sep 15, 2026

আধুনিক ভারত গড়ে তোলার কাজে এম বিশ্বেশ্বরাইয়ার অবদান অপরিসীম: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইঞ্জিনিয়ার বা প্রকৌশলীদের দক্ষতা ও কাজের উপর আস্থা রেখেই ২০৪৭…

ByByReshmi Debnath Sep 15, 2026
Scroll to Top