নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ১১ আগস্ট: স্ত্রী ও সন্তানদের ফিরে পাওয়ার জন্য স্বামীর আর্ত আবেদন, কদমতলা থানা মামলা নিতে নারাজ। এমনই অভিযোগ।
২০১১ সালের মার্চের ১১ তারিখ সামাজিক মতে বিবাহ হয়েছিল উত্তর হরুয়া ছয় নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাবুল শুক্ল দাসের সাথে ধলাই জেলার ছোট সুরমার নিবাসী স্বপ্না দাসের। বিয়ের পর তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়, নাম দেওয়া হয় মেঘলা শুক্ল দাস। তারপর একই সাথে জমজ দুটি ছেলের জন্ম হয় বিজয় শুক্লদাস এবং বিশাল শুক্ল দাস। মেয়েটির বর্তমান বয়স ১৩ বছর এবং ছেলেগুলি বর্তমান বয়স নয় বছর। পাঁচ মাস পূর্বে স্বপ্নদাস এক মেয়ে ও দুই ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি অর্থাৎ ছোট সুরমায় যায়। বেশ কয়েকবার বাবুল শুক্ল দাস স্ত্রী এবং সন্তানদের সাথে যোগাযোগের প্রচেষ্টা চালায়। তখন শাশুড়ি আরতি দাস জানিয়ে দেয় বাবুল যাতে বেশি আর যোগাযোগের চেষ্টা না করে। যদি সে যোগাযোগের বেশি চেষ্টা করে তবে প্রয়োজনে বাবুলকে খুন করা হবে।
৫ মাস ধরে পড়াশোনা বন্ধ সন্তানদের। এদিকে সন্তান ছাড়া বাবুল পাগলের মত হয়ে যায় সে সন্তানদের পেতে স্থানীয় কদমতলা থানায় উপস্থিত হয় কিন্তু তার অভিযোগ রাখা হয়নি। অবশেষে স্ত্রী সন্তান দের ফিরে পেতে অসহায় বাবুল ধর্মনগরে সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হয়। পাঁচ মাস হয়ে গেলেও স্ত্রী এবং সন্তানদের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে বাবুল। বাবুলের অভিযোগ তার শাশুড়ি আরতি দাস নাকি অনেকটা এমন প্রকৃতির পূর্বে এবং দুই মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে আরতি দেবী। বর্তমানে সন্তান এবং স্ত্রী হারিয়ে বাবুলের ক্রন্দন কে শুনে? এখন একমাত্র আইন এবং বিচারব্যবস্থা তাদের জীবনকে একটা সঠিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে পারে বলে বাবুলের বিশ্বাস।
