News Flash

  • Home
  • ত্রিপুরা
  • চা শিল্পকে লাভজনক অবস্থায় নিয়ে আসার জন্য চা নিলাম কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: মুখ্যমন্ত্রী
Image

চা শিল্পকে লাভজনক অবস্থায় নিয়ে আসার জন্য চা নিলাম কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৪ মার্চ : চা উৎপাদনে ত্রিপুরা দেশের মধ্যে অন্যতম স্থান দখল করে আছে। অথচ রাজ্যের চা নিলাম করতে অন্য রাজ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। সে কারণেই ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগমের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রাজ্যে গড়ে তোলা হবে চা নিলাম কেন্দ্র।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুর্খাবস্তি এলাকায় এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চা নিলাম কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা।

এইদিন প্রথমে প্রদীপ প্রজ্জলন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে ফলক উন্মোচন করে চা নিলাম কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

পরে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ২০১৮ সালে রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর মার্গ দর্শন অনুযায়ী রাজ্যের চা বাগান গুলির উন্নয়নে কাজ শুরু করা হয়। যথারীতি সফলতাও আসে।

মুখ্যমন্ত্রী পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে বলেন তৎকালীন সরকারের সময় রাজ্যে চিটফান্ডের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। চিটফান্ড গ্রাস করে নেয় চা শ্রমিকদের। চিটফান্ডের ফাঁদে পা দিয়ে চা শ্রমিকদের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপের দিকে চলে যায়। ফলে চা বাগান গুলি অবস্থা করুন হয়ে যায়। চা শিল্পকে লাভজনক অবস্থায় নিয়ে আসার জন্য চা নিলাম কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

শুধু তাই নয় বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠার পর চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করে ১৭৬ টাকা করা হয়েছে। চা শ্রমিকদের ২ গণ্ডা করে জায়গা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ত্রিপুরায় উৎপাদিত চা রাজ্যের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বহিঃরাজ্যে বিক্রয় করা হয়। ত্রিপুরা থেকে চা বহিঃরাজ্যে নিয়ে যাওয়া ও মজুত করার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা হতো। বিশেষ করে পরিবহন খরচ সহ মজুত করা নিয়ে ব্যয় বেড়ে যেত।

তাই রাজ্যে চা নিলাম কেন্দ্র খুলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। চা উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশের মধ্যে ত্রিপুরা পঞ্চম স্থানে রয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও জানান ত্রিপুরা রাজ্যে প্রতি বছর ৯০ লক্ষ কেজি চা উৎপাদন হয়।

ত্রিপুরা সরকার চা শিল্পকে বাঁচাতে চাইছে। শুধুমাত্র কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। রাজ্যের নিজস্ব সম্পদকে কাজে লাগাতে হবে। তবেই রাজ্যের জিডিপি বৃদ্ধি পাবে। রাজ্যের মানুষের মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি পাবে। অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, চা নিগমের চেয়ারম্যান সমীর ঘোষ, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের অধিকর্তা বিশ্বেশ্বর বি সহ অন্যান্যরা।

Releated Posts

কমলপুরে পুকুরে আবর্জনা ফেলার অভিযোগে ক্ষোভ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি এলাকাবাসীর

আগরতলা, ২ আগস্ট: ধলাই জেলার কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঋষিপাড়া এলাকায় একটি ব্যক্তিগত পুকুরে আবর্জনা ফেলার…

ByByReshmi Debnath Aug 2, 2026

কমলাসাগরে কালো গ্লাস ফিল্ম অপসারণ অভিযান ঘিরে পুলিশ-অটোচালকদের বচসা

আগরতলা, ২ আগস্ট:  কমলাসাগরের লেম্বুতুলি এলাকায় রবিবার গাড়ির কালো গ্লাস ফিল্ম (গ্লাস পেপার) অপসারণ ও ট্রাফিক আইন প্রয়োগকে…

ByByReshmi Debnath Aug 2, 2026

খুমুলুঙ হাসপাতালের সামনে থেকে চুরি হওয়া অটো উদ্ধার, বিশ্রামগঞ্জে জঙ্গলে ফেলে পালাল চোরেরা

আগরতলা, ২ আগস্ট: খুমুলুঙের খেরেংবার হাসপাতালের সামনে থেকে চুরি হওয়া একটি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করেছে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ।…

ByByReshmi Debnath Aug 2, 2026

৩০ লক্ষ টাকার বাজেটে কুঞ্জবন স্পোর্টিং ইউনিয়নের ৫৯তম দুর্গাপূজা, ‘কাচের মায়াজাল’ থিমে চমক

আগরতলা, ২ আগস্ট: রাজধানী আগরতলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী কুঞ্জবন স্পোর্টিং ইউনিয়ন এ বছর ৩০ লক্ষ টাকার বাজেটে তাদের ৫৯তম…

ByByReshmi Debnath Aug 2, 2026
Scroll to Top